বিএলও-দের (BLO) কাজে স্বচ্ছতা আনতে এবং গাফিলতি রুখতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এখন থেকে কোনো বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দিল্লির নির্দেশের অপেক্ষায় থাকতে হবে না; রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) নিজেই আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
এতদিন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় কমিশনের ভূমিকা থাকত। কিন্তু এখন থেকে রাজ্যের সিইও স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (নিজে থেকে) অথবা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের (DEO) রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে পারবেন, যেমন, সংশ্লিষ্ট বিএলও-কে সাময়িক বরখাস্ত (Suspend) করা, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া এবং গুরুতর অপরাধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া।
কাজে অবহেলা বা চরম গাফিলতি, অসদাচরণ বা কমিশনের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা বা ভোটার তালিকাভুক্ত করার নিয়মে কারচুপি বা নিয়ম লঙ্ঘন করার মতো কোনও অপরাধ যদি কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
সিইও বা ডিইও যখন কোনো বিএলও-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সুপারিশ করবেন, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেই নির্দেশ দ্রুত কার্যকর করতে হবে। গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে ৬ মাসের মধ্যে কমিশনকে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে। প্রয়োজনে 'RP Act, 1950'-এর ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত বিএলও-র বিরুদ্ধে আইনি মামলাও করা যাবে।
শাস্তির পাশাপাশি বিএলও-দের নিরাপত্তার দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধন বা ওই জাতীয় কাজ করার সময় কোনো বিএলও যদি আক্রান্ত হন, তবে তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ, কলকাতা
বিষয় : পশ্চিমবঙ্গ

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন