বালি: নির্বাচন কমিশনের ‘এসআইআর’ বা বিশেষ তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল লেগেই আছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্যের নাম। মঙ্গলবার দুপুরে হাওড়ার বালি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সপরিবারে শুনানিতে হাজিরা দেন তিনি। আর সেখান থেকেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কমিশন এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ শানান দেবাংশু।
এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ সপরিবারে বালি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পৌঁছান দেবাংশু। কমিশনের এই নোটিশকে ব্যঙ্গ করে তিনি বলেন, "ফাইনালি এসেছে ভালোবাসার চিঠি। হ্যাপি নিউ ইয়ার করতে ডেকেছে, তাই আমরাও এসেছি।" দেবাংশুর দাবি, তাঁর বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের নথিপত্রে বিন্দুমাত্র কোনো ভুল বা গরমিল নেই। তা সত্ত্বেও কেন তাঁদের চারজনকে (দেবাংশু, তাঁর দিদি, খুড়তুতো ভাই ও বোন) ডাকা হলো, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট যুক্তি দেখাতে পারেনি কমিশন।
দেবাংশুর অভিযোগ, এই তলব আদতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, "শুভেন্দু বাবুরা দেড় কোটির টার্গেট দিয়ে রেখেছেন। সেই টার্গেট পূরণ করতেই আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে তাঁর বাবা-মায়ের নাম থাকায় তাঁরা ৫৮ লাখের তালিকায় নেই, কিন্তু লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে তাঁদের ডাকা হয়েছে যার কোনো লজিক নেই।
বিশিষ্টদের তালিকায় এবার দেবাংশু: উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাইয়ের নামে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি একাধিক পরিচিত মুখকেও এর আগে কমিশনের শুনানিতে তলব করা হয়েছে। ভরতপুরের বিডিও অনির্বাণ সেনগুপ্ত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনরা ইতিপূর্বেই এই প্রক্রিয়ার মুখে পড়েছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল দেবাংশুর। এমনকি তাঁর দিদি হাত ভেঙে শয্যাশায়ী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর কাগজপত্র নিয়ে মা-কে আসতে হয়েছে শুনানি কেন্দ্রে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন