Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

খুনের পর দেহে লবণ! দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত আবাসন থেকে উদ্ধার মহিলার কঙ্কাল, ধৃত স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
খুনের পর দেহে লবণ! দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত আবাসন থেকে উদ্ধার মহিলার কঙ্কাল, ধৃত স্বামী

দুর্গাপুর: খুনের পর প্রমাণ লোপাট করতে বীভৎস ছক! যাতে পচন না ধরে এবং দুর্গন্ধ না ছড়ায়, তাই স্ত্রীর নিথর দেহে মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল বস্তা বস্তা নুন। দুর্গাপুরের ইস্পাতনগরীর এক পরিত্যক্ত আবাসন থেকে মহিলার কঙ্কালসার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিউরে উঠছে শহরবাসী। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে।


মৃতার নাম ছবি দাস (৫৫)। তিনি দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের আয়া হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেক্টর-ডি মার্কেটের কাছে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ের পাশে একটি পরিত্যক্ত আবাসনে স্বামী প্রদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে থাকতেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই ছবির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার ওই পরিত্যক্ত ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা ভেতরে গিয়ে দেখেন, মেঝেতে পড়ে রয়েছে একটি কঙ্কালসার দেহ।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মৃতদেহের ওপর প্রচুর পরিমাণে নুন মাখিয়ে রাখা হয়েছিল। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দেহ যাতে দ্রুত পচে না যায় এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা যাতে দুর্গন্ধ না পায়, তার জন্যই এই রাসায়নিক পদ্ধতি নিয়েছিলেন অভিযুক্ত স্বামী। সম্ভবত সুযোগ বুঝে দেহটি পরে অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। নুন দেওয়া থাকার কারণেই বেশ কিছুদিন মৃতদেহ ঘরে পড়ে থাকলেও আগেভাগে কেউ টের পায়নি।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিঃসন্তান এই দম্পতির মধ্যে বড় কোনো অশান্তি আগে দেখা যায়নি। তবে গত কয়েক মাস ধরে আর্থিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। মৃতার এক সহকর্মী জানান, ছবি দেবী বেশ কিছুদিন ধরেই টাকা-পয়সা নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন। সেই আর্থিক বিবাদই কি চরম রূপ নিল? সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন স্বামী প্রদীপ চক্রবর্তী। পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ঠিক কবে এবং কীভাবে ছবি দেবীকে খুন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক সময় জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


খুনের পর দেহে লবণ! দুর্গাপুরে পরিত্যক্ত আবাসন থেকে উদ্ধার মহিলার কঙ্কাল, ধৃত স্বামী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
দুর্গাপুর: খুনের পর প্রমাণ লোপাট করতে বীভৎস ছক! যাতে পচন না ধরে এবং দুর্গন্ধ না ছড়ায়, তাই স্ত্রীর নিথর দেহে মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল বস্তা বস্তা নুন। দুর্গাপুরের ইস্পাতনগরীর এক পরিত্যক্ত আবাসন থেকে মহিলার কঙ্কালসার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিউরে উঠছে শহরবাসী। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে।মৃতার নাম ছবি দাস (৫৫)। তিনি দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের আয়া হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেক্টর-ডি মার্কেটের কাছে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়ের পাশে একটি পরিত্যক্ত আবাসনে স্বামী প্রদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে থাকতেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই ছবির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার ওই পরিত্যক্ত ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা ভেতরে গিয়ে দেখেন, মেঝেতে পড়ে রয়েছে একটি কঙ্কালসার দেহ।পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মৃতদেহের ওপর প্রচুর পরিমাণে নুন মাখিয়ে রাখা হয়েছিল। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দেহ যাতে দ্রুত পচে না যায় এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা যাতে দুর্গন্ধ না পায়, তার জন্যই এই রাসায়নিক পদ্ধতি নিয়েছিলেন অভিযুক্ত স্বামী। সম্ভবত সুযোগ বুঝে দেহটি পরে অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। নুন দেওয়া থাকার কারণেই বেশ কিছুদিন মৃতদেহ ঘরে পড়ে থাকলেও আগেভাগে কেউ টের পায়নি।প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিঃসন্তান এই দম্পতির মধ্যে বড় কোনো অশান্তি আগে দেখা যায়নি। তবে গত কয়েক মাস ধরে আর্থিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। মৃতার এক সহকর্মী জানান, ছবি দেবী বেশ কিছুদিন ধরেই টাকা-পয়সা নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন। সেই আর্থিক বিবাদই কি চরম রূপ নিল? সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন স্বামী প্রদীপ চক্রবর্তী। পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ঠিক কবে এবং কীভাবে ছবি দেবীকে খুন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক সময় জানা যাবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার