Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেই আনন্দপুরের পথে শুভেন্দু, শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেই আনন্দপুরের পথে শুভেন্দু, শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল হাইকোর্ট

কলকাতা: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের জারি করা ১৬৩ ধারা (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) এবং কড়া বিধিনিষেধকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অবশেষে আইনি লড়াইয়ে 'জয়' পেল বিজেপি। বৃহস্পতিবার আনন্দপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের সমর্থনে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে মিছিল করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, মিছিলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বেঁধে দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।


আদালতের দেওয়া শর্তাবলী:


মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, শুভেন্দু অধিকারীরা মিছিল করতে পারবেন, তবে তা করতে হবে নিয়ম মেনে। গড়িয়ার শীতলা মন্দির অথবা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত মিছিল করা যাবে। নরেন্দ্রপুর থানার ২০০ মিটার আগেই মিছিল থামাতে হবে। এবং মিছিলে সর্বাধিক ২,০০০ জন কর্মী-সমর্থক থাকতে পারবেন। থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে যেতে পারবেন মাত্র পাঁচজন প্রতিনিধি।


প্রসঙ্গত, আদালতের রায়ের আগেই এই এলাকায় যাওয়ার বিষয়ে অনড় ছিলেন বিরোধী দলনেতা। একদিকে পুলিশ যখন 'তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার' অজুহাত দিয়ে এলাকায় পাঁচজনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে নোটিস সেঁটেছে, ঠিক তখনই সেই বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বেশ কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুরের পথে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডে প্রশাসনের গাফিলতি ঢাকতেই পুলিশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে শাসকদল।


উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত ৩টে নাগাদ আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় একটি ডেকোরেটর এবং একটি নামী খাদ্য প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামে বিধ্বংসী আগুন লাগে। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত (সরকারিভাবে) ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ ডায়ারি করা হয়েছে ২৭ জনের নামে। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে গুদামের ভিতর ঘুমিয়ে ছিলেন বহু শ্রমিক। যাঁদের অধিকাংশই ভিনজেলা থেকে কাজ করতে এসেছিলেন।


ইতিমধ্যেই পুলিশ ডেকোরেটর গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে। তবে বিরোধীদের দাবি, এই ভয়াবহ পরিণতির পিছনে গভীর কোনও ষড়যন্ত্র বা প্রশাসনিক উদাসীনতা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই এই আন্দোলন।


এদিনের এই মিছিলে আদালতের সবুজ সঙ্কেত মেলায় রাজনৈতিকভাবে বিজেপি বাড়তি অক্সিজেন পেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেই আনন্দপুরের পথে শুভেন্দু, শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দিল হাইকোর্ট

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের জারি করা ১৬৩ ধারা (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) এবং কড়া বিধিনিষেধকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অবশেষে আইনি লড়াইয়ে 'জয়' পেল বিজেপি। বৃহস্পতিবার আনন্দপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের সমর্থনে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে মিছিল করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, মিছিলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বেঁধে দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।আদালতের দেওয়া শর্তাবলী:মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, শুভেন্দু অধিকারীরা মিছিল করতে পারবেন, তবে তা করতে হবে নিয়ম মেনে। গড়িয়ার শীতলা মন্দির অথবা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত মিছিল করা যাবে। নরেন্দ্রপুর থানার ২০০ মিটার আগেই মিছিল থামাতে হবে। এবং মিছিলে সর্বাধিক ২,০০০ জন কর্মী-সমর্থক থাকতে পারবেন। থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে যেতে পারবেন মাত্র পাঁচজন প্রতিনিধি।প্রসঙ্গত, আদালতের রায়ের আগেই এই এলাকায় যাওয়ার বিষয়ে অনড় ছিলেন বিরোধী দলনেতা। একদিকে পুলিশ যখন 'তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার' অজুহাত দিয়ে এলাকায় পাঁচজনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে নোটিস সেঁটেছে, ঠিক তখনই সেই বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বেশ কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আনন্দপুরের পথে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডে প্রশাসনের গাফিলতি ঢাকতেই পুলিশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে শাসকদল।উল্লেখ্য, গত রবিবার রাত ৩টে নাগাদ আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় একটি ডেকোরেটর এবং একটি নামী খাদ্য প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামে বিধ্বংসী আগুন লাগে। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত (সরকারিভাবে) ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ ডায়ারি করা হয়েছে ২৭ জনের নামে। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে গুদামের ভিতর ঘুমিয়ে ছিলেন বহু শ্রমিক। যাঁদের অধিকাংশই ভিনজেলা থেকে কাজ করতে এসেছিলেন।ইতিমধ্যেই পুলিশ ডেকোরেটর গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে। তবে বিরোধীদের দাবি, এই ভয়াবহ পরিণতির পিছনে গভীর কোনও ষড়যন্ত্র বা প্রশাসনিক উদাসীনতা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই এই আন্দোলন।এদিনের এই মিছিলে আদালতের সবুজ সঙ্কেত মেলায় রাজনৈতিকভাবে বিজেপি বাড়তি অক্সিজেন পেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার