Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভারতের মঞ্চে জয়ের 'অভিষেক': প্রতিবেশী দেশের রাজনীতিতে কি বড় মোড়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের মঞ্চে জয়ের 'অভিষেক': প্রতিবেশী দেশের রাজনীতিতে কি বড় মোড়?

কলকাতা: বাংলাদেশে ৫ অগাস্টের রক্তক্ষয়ী পট পরিবর্তনের পর এই প্রথম কোনো বড় মঞ্চে ভাষণ দিতে চলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে জয় গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার সক্রিয় থাকলেও, সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর এই অংশগ্রহণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চলেছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।


কলকাতার মতো জায়গায় জয়ের এই ভাষণের নেপথ্যে ভারত সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 'ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ' নামক একটি বইয়ের প্রেক্ষাপটে এই সভার আয়োজন করা হলেও, ৩০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জয়ের এই ভাষণ নিছক সাহিত্য আলোচনা হবে না—এমনটাই দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অনুপস্থিতিতে যখন দলটি কার্যত দিকভ্রান্ত, তখন জয়ের এই সক্রিয়তা আদতে দলের পরবর্তী নেতৃত্বের বার্তা।

বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই ফিরেছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে তারেক বনাম জয় লড়াইয়ের যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, এই মঞ্চ থেকে জয় তার প্রথম রণকৌশল স্থির করতে পারেন।

ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে জয় যদি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বা অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কড়া কোনো রাজনৈতিক অবস্থান  এমন ধারণাই করা যাচ্ছে।


গত ৫ অগাস্টের পর জয় যেভাবে একা হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের হয়ে পাল্ট লড়াই চালিয়েছেন, তাতে দলের একটা বড় অংশ এখন তাঁর মধ্যেই শেখ হাসিনার যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজে পাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই ভাষণ সাধারণ কর্মীদের কতটা উদ্বুদ্ধ করবে, সেটাই এখন দেখার।


সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভায় মঞ্চ শেয়ার করবেন ভারতবর্ষের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও। উপস্থিত থাকবেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৩০০ জন প্রভাবশালী প্রতিনিধি। এখান থেকেই বাংলাদেশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নতুন 'ন্যারেটিভ' বা বয়ান তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। একদিকে দেশে তারেক রহমানের রাজনৈতিক সক্রিয়তা, আর অন্যদিকে বিদেশের মাটি থেকে জয়ের এই গর্জন—বাংলাদেশের অস্থির রাজনীতিতে এক নতুন যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।

জয়ের এই ভাষণ কেবল একটি বইয়ের প্রেক্ষাপট আলোচনা নয়, বরং বাংলাদেশের আগামী রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণের এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভারতের মঞ্চে জয়ের 'অভিষেক': প্রতিবেশী দেশের রাজনীতিতে কি বড় মোড়?

প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলাদেশে ৫ অগাস্টের রক্তক্ষয়ী পট পরিবর্তনের পর এই প্রথম কোনো বড় মঞ্চে ভাষণ দিতে চলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে জয় গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার সক্রিয় থাকলেও, সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর এই অংশগ্রহণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চলেছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।কলকাতার মতো জায়গায় জয়ের এই ভাষণের নেপথ্যে ভারত সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 'ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ' নামক একটি বইয়ের প্রেক্ষাপটে এই সভার আয়োজন করা হলেও, ৩০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জয়ের এই ভাষণ নিছক সাহিত্য আলোচনা হবে না—এমনটাই দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অনুপস্থিতিতে যখন দলটি কার্যত দিকভ্রান্ত, তখন জয়ের এই সক্রিয়তা আদতে দলের পরবর্তী নেতৃত্বের বার্তা।বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই ফিরেছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে তারেক বনাম জয় লড়াইয়ের যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, এই মঞ্চ থেকে জয় তার প্রথম রণকৌশল স্থির করতে পারেন।ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে জয় যদি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বা অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কড়া কোনো রাজনৈতিক অবস্থান  এমন ধারণাই করা যাচ্ছে।গত ৫ অগাস্টের পর জয় যেভাবে একা হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের হয়ে পাল্ট লড়াই চালিয়েছেন, তাতে দলের একটা বড় অংশ এখন তাঁর মধ্যেই শেখ হাসিনার যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজে পাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই ভাষণ সাধারণ কর্মীদের কতটা উদ্বুদ্ধ করবে, সেটাই এখন দেখার।সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভায় মঞ্চ শেয়ার করবেন ভারতবর্ষের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও। উপস্থিত থাকবেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৩০০ জন প্রভাবশালী প্রতিনিধি। এখান থেকেই বাংলাদেশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নতুন 'ন্যারেটিভ' বা বয়ান তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। একদিকে দেশে তারেক রহমানের রাজনৈতিক সক্রিয়তা, আর অন্যদিকে বিদেশের মাটি থেকে জয়ের এই গর্জন—বাংলাদেশের অস্থির রাজনীতিতে এক নতুন যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।জয়ের এই ভাষণ কেবল একটি বইয়ের প্রেক্ষাপট আলোচনা নয়, বরং বাংলাদেশের আগামী রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণের এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে চলেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার