নয়াদিল্লি: চলতি মাসেই আবারও থমকে যেতে পারে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে একাধিক ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন। অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (AIBEA), ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (BEFI) সহ মোট ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এই প্রতিবাদে সামিল হতে চলেছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির প্রধান দাবি হলো কেন্দ্রের আনা নতুন চারটি শ্রম কোড (Labour Codes) বাতিল করা। ইউনিয়নগুলির অভিযোগ,এই নতুন নিয়মগুলো শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী এবং এর ফলে সাধারণ কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ৩০০ জনের কম কর্মচারী থাকা সংস্থাগুলো সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্মীদের ছাঁটাই করতে পারবে। ইউনিয়নগুলির দাবি, এতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সুবিধা হবে। ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও নিয়ম অনেক কঠোর করা হয়েছে।
বহুদিন ধরেই ব্যাঙ্ক কর্মীরা সপ্তাহে ৫ দিন কাজের (Five-day Work Week) দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁদের দাবি, সরকারি ও বেসরকারি কর্মীদের মধ্যে কাজের ভারসাম্য রাখতে শনিবারও ছুটি প্রয়োজন। এই ধর্মঘটের মাধ্যমে সেই দীর্ঘমেয়াদী দাবিটি আবারও জোরালো করা হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট সফল হলে, ব্যাঙ্কের চেক ক্লিয়ারেন্স দেরি হতে পারে। টাকা জমা বা তোলার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন গ্রাহকরা। এটিএম পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ব্রাঞ্চের কাজ পুরোপুরি ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি যদি আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্যাঙ্কের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পরিকল্পনা করেন, তবে ধর্মঘটের তারিখটি মাথায় রেখে ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই তা সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। এর আগে ২৭ জানুয়ারিও ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল। ফের ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘটের ডাক দেওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, ইউনিয়নগুলো তাদের দাবিতে অনড়। এখন দেখার, সরকার তাদের এই দাবিগুলো নিয়ে কোনো আলোচনায় বসে কি না।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন