কলকাতা: বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আচমকাই একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিকিম, দার্জিলিং, কালিম্পং, শিলিগুড়ি সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পরপর কম্পন অনুভূত হয় সিকিমে। কম্পনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে নেপাল ও চিন পর্যন্ত।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটি হয় রাত ১টা ৯ মিনিটে। এর উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালশিং অঞ্চলে, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। অল্প সময়ের মধ্যেই ফের একাধিক আফটার শক অনুভূত হয়।
রাত ১টা ১৫ মিনিটে দ্বিতীয় কম্পনের উৎসস্থল ছিল গ্যাংটক–এর কাছাকাছি ১০ কিলোমিটার গভীরে; মাত্রা ৩.১। এরপর
রাত ২টা ৩ মিনিটে মঙ্গন এলাকায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ২.৫ মাত্রার কম্পন,
রাত ২টা ২০ মিনিটে নামচি এলাকায় ৫ কিলোমিটার গভীরে ৩.৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
পরবর্তী সময়ে রাত ২টা ৩০ মিনিটে তিব্বত এলাকায় ৪.৫ মাত্রার কম্পন ধরা পড়ে। আবার রাত ২টা ৪৩ মিনিটে নামচিতে ২.৪, রাত ২টা ৫৬ মিনিটে মঙ্গনে ২.৪, এবং রাত ৩টা ১১ মিনিটে নামচিতে ফের ৪.০ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
এক রাতেই পরপর এতগুলি কম্পন ও আফটার শকের জেরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দার্জিলিং, মিরিক, কালিম্পং ও শিলিগুড়িতে। এই মুহূর্তে পাহাড়ি এলাকাগুলিতে বহু পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আতঙ্কে অনেকেই মাঝরাতে হোটেল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
যদিও এখন পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি, তবু একসঙ্গে এতগুলি ভূমিকম্প নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ভূবিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, স্বল্প সময়ের মধ্যে ধারাবাহিক কম্পন ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিতও হতে পারে—ফলে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন