Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটে কি জোট হচ্ছে হুমায়ুন-নওশাদ এর?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটে কি জোট হচ্ছে হুমায়ুন-নওশাদ এর?

কলকাতা: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট। তার আগেই জনতা উন্নয়ন পার্টি ও আইএসএফ-এর সম্ভাব্য জোট ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তীব্র। এই পরিস্থিতিতে জোট প্রসঙ্গে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন নওশাদ সিদ্দিকি। সংবাদ সংস্থা ANI-কে তিনি বলেন, “হুমায়ুন কবীর আগে যে কথা বলেছেন, সেটা তুলে নিতে হবে। নইলে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হবে না।”


নওশাদের বক্তব্য, আইএসএফ কোনও তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না। তিনি জানান, খুব শিগগিরই দলের রাজ্য কমিটির বৈঠক হবে। সেখানেই জোটের ভবিষ্যৎ, কোন পথে গেলে লাভ হবে এবং শর্তাবলি—সব কিছু খতিয়ে দেখা হবে। “জোট হলে কীভাবে হবে, কার সঙ্গে হবে, সবটাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে,” বলেন তিনি।

২৯৪ আসনে একা লড়াইয়ের প্রশ্নে বাস্তববাদী ISF

সবকটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রশ্নে বাস্তব অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন নওশাদ। তাঁর কথায়, “বাংলায় ২৯৪টি আসন। সব আসনে লড়াই করার মতো সংগঠনিক শক্তি আমাদের নেই। বাস্তবে আমরা ৫০ থেকে ৬০ কিংবা ৭০টি আসনে লড়াই করতে পারি। জোট হলে সেই সংখ্যা আরও কমবে।”

তবে রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে তিনি কোনও দ্বিধা রাখেননি। নওশাদের স্পষ্ট দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি—এই দুই দলের বিরুদ্ধেই মূল লড়াই।


“বিজেপি ও তৃণমূল বাদে যত দল রয়েছে, সবাইকে একত্রিত করেই লড়াই করতে চাই,” বলেন ISF বিধায়ক।


কংগ্রেসের সঙ্গে জোট?

কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নিয়েও মুখ খোলেন নওশাদ। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেস ও জাতীয় কংগ্রেস—দুই স্তরেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


হুমায়ুন-কবীর বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ

এরই মধ্যে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর-এর সঙ্গে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর বৈঠক রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই বৈঠকের পর থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি একযোগে সিপিআইএম-কে আক্রমণ শুরু করেছে।

তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েই সিপিআইএম ‘সাম্প্রদায়িক’ শক্তির সঙ্গে সমঝোতার পথে হাঁটছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ বামেরা। সিপিআইএম-এর পাল্টা দাবি, যাঁকে নিয়ে আজ তৃণমূল ও বিজেপি প্রশ্ন তুলছে, অতীতে তাঁরাই সেই হুমায়ুন কবীরকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। এখন সিপিআইএম কথা বললেই সব দোষ!


সব মিলিয়ে, ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে জোটের অঙ্ক যতই জটিল হচ্ছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনীতি।

বিষয় : WestBengalElection

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোটে কি জোট হচ্ছে হুমায়ুন-নওশাদ এর?

প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট। তার আগেই জনতা উন্নয়ন পার্টি ও আইএসএফ-এর সম্ভাব্য জোট ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তীব্র। এই পরিস্থিতিতে জোট প্রসঙ্গে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন নওশাদ সিদ্দিকি। সংবাদ সংস্থা ANI-কে তিনি বলেন, “হুমায়ুন কবীর আগে যে কথা বলেছেন, সেটা তুলে নিতে হবে। নইলে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হবে না।”নওশাদের বক্তব্য, আইএসএফ কোনও তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না। তিনি জানান, খুব শিগগিরই দলের রাজ্য কমিটির বৈঠক হবে। সেখানেই জোটের ভবিষ্যৎ, কোন পথে গেলে লাভ হবে এবং শর্তাবলি—সব কিছু খতিয়ে দেখা হবে। “জোট হলে কীভাবে হবে, কার সঙ্গে হবে, সবটাই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে,” বলেন তিনি।২৯৪ আসনে একা লড়াইয়ের প্রশ্নে বাস্তববাদী ISFসবকটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রশ্নে বাস্তব অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন নওশাদ। তাঁর কথায়, “বাংলায় ২৯৪টি আসন। সব আসনে লড়াই করার মতো সংগঠনিক শক্তি আমাদের নেই। বাস্তবে আমরা ৫০ থেকে ৬০ কিংবা ৭০টি আসনে লড়াই করতে পারি। জোট হলে সেই সংখ্যা আরও কমবে।”তবে রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে তিনি কোনও দ্বিধা রাখেননি। নওশাদের স্পষ্ট দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি—এই দুই দলের বিরুদ্ধেই মূল লড়াই।“বিজেপি ও তৃণমূল বাদে যত দল রয়েছে, সবাইকে একত্রিত করেই লড়াই করতে চাই,” বলেন ISF বিধায়ক।কংগ্রেসের সঙ্গে জোট?কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নিয়েও মুখ খোলেন নওশাদ। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেস ও জাতীয় কংগ্রেস—দুই স্তরেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।হুমায়ুন-কবীর বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপএরই মধ্যে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর-এর সঙ্গে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর বৈঠক রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই বৈঠকের পর থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি একযোগে সিপিআইএম-কে আক্রমণ শুরু করেছে।তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়েই সিপিআইএম ‘সাম্প্রদায়িক’ শক্তির সঙ্গে সমঝোতার পথে হাঁটছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ বামেরা। সিপিআইএম-এর পাল্টা দাবি, যাঁকে নিয়ে আজ তৃণমূল ও বিজেপি প্রশ্ন তুলছে, অতীতে তাঁরাই সেই হুমায়ুন কবীরকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। এখন সিপিআইএম কথা বললেই সব দোষ!সব মিলিয়ে, ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে জোটের অঙ্ক যতই জটিল হচ্ছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনীতি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার