কলকাতা: আসন্ন নির্বাচনে তিনি কি ফের শাসকদলের টিকিটে লড়াই করবেন? না কি এবার ইতি টানবেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে? এই নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ছেড়ে দিলেন বারাসতের তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর রাজনীতিতে থাকা বা না থাকা পুরোটাই নির্ভর করছে ‘নেত্রী’র সিদ্ধান্তের ওপর।
এদিন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীকে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “পুরোটা ডিপেন্ড করছে নেত্রীর ওপর। ও যা বলবে, সেটাই হবে।” তিনি আরও জানান যে, এর আগে তিনবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারও যদি নেত্রী মনে করেন যে তাঁকে দরকার নেই, তাতেও তাঁর কোনো সমস্যা নেই।
তিনবারের বিধায়ক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে চিরঞ্জিৎ কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “এমএলএ মানে হলো জনসেবক।” তাঁর মতে, অভিনেতা হিসেবে তাঁরা সাধারণ মানুষের থেকে একটা পর্দার দূরত্বে থাকেন, যেখানে তাঁদের কেউ ছুঁতে পারে না। কিন্তু রাজনীতিতে আসার ফলে তিনি সাধারণ মানুষের অনেক কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন, তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, কথা বলেছেন—একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এটাই তাঁর কাছে সবথেকে বড় প্রাপ্তি।
চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। টিকিট পাওয়া নিয়ে তিনি নিজে কোনো দাবি না রাখলেও, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের দিকেই যে তিনি তাকিয়ে আছেন, তা আজ পরিষ্কার করে দিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা-বিধায়ক।
বিষয় : Chiranjit

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন