Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করল কমিশন: স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করল কমিশন: স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি

স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি কাটাতে স্পষ্ট নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে কোন শংসাপত্র বৈধ বলে গণ্য হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়েছে।  


কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর কর্তৃক প্রদত্ত শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে। শংসাপত্র অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের নিয়ম মেনে তৈরি হতে হবে।  

সেই নিয়মে আরও বলা হয়েছে,

- আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মা অন্তত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে একটানা বসবাস করলে তাঁরা এই শংসাপত্র পাবেন।  

- আবেদনকারী বা পরিবারের নামে রাজ্যে বাড়ি বা জমি থাকলে শংসাপত্র পাওয়া যাবে।  

- আবেদনকারী পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং এখানকার স্কুল বা কলেজে পড়াশোনা করেছেন, তার প্রমাণ থাকলেও শংসাপত্র দেওয়া হবে।  

- আর্মি, ডিফেন্স বা প্যারামিলিটারি বাহিনীতে চাকরির জন্যও এই শংসাপত্র প্রয়োজন হয়।  


কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সমস্ত অফিসারকে এই নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে। অনুমান করা হচ্ছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা বিডিও অফিস থেকেও শংসাপত্র পাওয়া যায় বলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশন এই স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে।  


রাজ্যে এসআইআর শুনানির শেষ দিন ছিল শনিবার। তবে অনেক জায়গায় শুনানি শেষ না হওয়ায় সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন এখনও এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।

বিষয় : SIR ECI

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করল কমিশন: স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি কাটাতে স্পষ্ট নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে কোন শংসাপত্র বৈধ বলে গণ্য হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়েছে।  কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কালেক্টর কর্তৃক প্রদত্ত শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে। শংসাপত্র অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৯৯৯ সালের নিয়ম মেনে তৈরি হতে হবে।  সেই নিয়মে আরও বলা হয়েছে,- আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মা অন্তত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে একটানা বসবাস করলে তাঁরা এই শংসাপত্র পাবেন।  - আবেদনকারী বা পরিবারের নামে রাজ্যে বাড়ি বা জমি থাকলে শংসাপত্র পাওয়া যাবে।  - আবেদনকারী পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং এখানকার স্কুল বা কলেজে পড়াশোনা করেছেন, তার প্রমাণ থাকলেও শংসাপত্র দেওয়া হবে।  - আর্মি, ডিফেন্স বা প্যারামিলিটারি বাহিনীতে চাকরির জন্যও এই শংসাপত্র প্রয়োজন হয়।  কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সমস্ত অফিসারকে এই নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে। অনুমান করা হচ্ছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা বিডিও অফিস থেকেও শংসাপত্র পাওয়া যায় বলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশন এই স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে।  রাজ্যে এসআইআর শুনানির শেষ দিন ছিল শনিবার। তবে অনেক জায়গায় শুনানি শেষ না হওয়ায় সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন এখনও এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার