Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নদীর চরে মাফিয়া রাজ! ইটভাটার দাপটে পুকুরে পরিণত হচ্ছে নদীগর্ভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নদীর চরে মাফিয়া রাজ! ইটভাটার দাপটে পুকুরে পরিণত হচ্ছে নদীগর্ভ

কাকদ্বীপ: দীর্ঘদিন ধরেই কাকদ্বীপের মুড়িগঙ্গা ও কালনাগিনী নদীর চর থেকে মাটি পাচারের অভিযোগ উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের তির সরাসরি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ ব্লকের স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের বুদ্ধপুর এলাকার একটি বড় ইটভাটার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে কালনাগিনী নদীর বুক চিরে মাটি কেটে সাবাড় করছে ওই ইটভাটা কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বুদ্ধপুরে নদীর গা ঘেঁষেই অবস্থিত ওই ইটভাটাটি দীর্ঘকাল ধরে নদীর চরকে নিজেদের ‘মাটির খনি’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

ক্রমাগত মাটি কাটার ফলে নদীর চরে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। অনেক জায়গায় গভীরতা এতটাই বেশি যে, চরের একাংশ এখন বড় বড় পুকুরের আকার ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার সকালেও এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রায় ১৫ জন শ্রমিক কোদাল দিয়ে নদীর পাড় ও চর থেকে মাটি কাটছেন। সেই মাটি ঝুড়িতে করে বয়ে নিয়ে গিয়ে জমা করা হচ্ছে ইটভাটার নির্দিষ্ট একটি কোণে।

মাটি কাটার এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ইটভাটার এক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাটি কাটার বিষয়টি স্বীকার করে নেন। তবে তাঁর দাবি, ওই এলাকাটি তাঁদের ‘রায়ত জমি’ বা কেনা সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত। যদিও পরিবেশকর্মীদের মতে, নদীর জোয়ার-ভাটা যে এলাকায় খেলে, সেই চরের মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তা নদী বাঁধের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : পশ্চিমবঙ্গ Kakdwip South24Parganas SaveRiver IllegalMining EnvironmentProtection LocalNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


নদীর চরে মাফিয়া রাজ! ইটভাটার দাপটে পুকুরে পরিণত হচ্ছে নদীগর্ভ

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কাকদ্বীপ: দীর্ঘদিন ধরেই কাকদ্বীপের মুড়িগঙ্গা ও কালনাগিনী নদীর চর থেকে মাটি পাচারের অভিযোগ উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের তির সরাসরি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ ব্লকের স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের বুদ্ধপুর এলাকার একটি বড় ইটভাটার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে কালনাগিনী নদীর বুক চিরে মাটি কেটে সাবাড় করছে ওই ইটভাটা কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বুদ্ধপুরে নদীর গা ঘেঁষেই অবস্থিত ওই ইটভাটাটি দীর্ঘকাল ধরে নদীর চরকে নিজেদের ‘মাটির খনি’ হিসেবে ব্যবহার করছে।ক্রমাগত মাটি কাটার ফলে নদীর চরে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত। অনেক জায়গায় গভীরতা এতটাই বেশি যে, চরের একাংশ এখন বড় বড় পুকুরের আকার ধারণ করেছে।মঙ্গলবার সকালেও এলাকায় গিয়ে দেখা যায় প্রায় ১৫ জন শ্রমিক কোদাল দিয়ে নদীর পাড় ও চর থেকে মাটি কাটছেন। সেই মাটি ঝুড়িতে করে বয়ে নিয়ে গিয়ে জমা করা হচ্ছে ইটভাটার নির্দিষ্ট একটি কোণে।মাটি কাটার এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ইটভাটার এক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাটি কাটার বিষয়টি স্বীকার করে নেন। তবে তাঁর দাবি, ওই এলাকাটি তাঁদের ‘রায়ত জমি’ বা কেনা সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত। যদিও পরিবেশকর্মীদের মতে, নদীর জোয়ার-ভাটা যে এলাকায় খেলে, সেই চরের মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তা নদী বাঁধের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার