Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মৎস্যজীবীদের জন্য বড় উপহার! ৪০ কোটি ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মৎস্যজীবীদের জন্য বড় উপহার! ৪০ কোটি ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর

নামখানা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে নামখানার হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর তীরে গড়ে উঠছে এক বিশাল ও অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বন্দরটি শুধু নামখানা নয়, বরং গোটা সুন্দরবন এলাকার মৎস্যশিল্পের ভোল বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নদীর তীরে প্রায় ১৫০০ মিটার লম্বা এবং ২৫০ মিটার চওড়া জায়গার ওপর এই সুবৃহৎ কর্মযজ্ঞ চলছে। মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে এখানে গড়ে তোলা হচ্ছে, নদী থেকে ট্রলার সরাসরি ডাঙায় তুলে সারাই করার জন্য থাকছে বিশেষ ডক। কয়েক হাজার কেজি মাছ টাটকা রাখার জন্য বড় কোল্ড স্টোরেজ বা শীতলতম ঘর এবং নিজস্ব বরফকল। মৎস্যজীবীদের রাত্রিযাপনের জন্য আলাদা ভবন এবং প্রশাসনিক ব্লক। ট্রলার খালি করার জন্য বিশেষ র‍্যাম্প, জাল সারাইয়ের জন্য চারটি বড় ছাউনি এবং পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও শৌচাগার।

বর্তমানে যুদ্ধেরকালীন তৎপরতায় এই বন্দরের কাজ চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করে এটি মৎস্যজীবীদের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া। উন্নত প্রযুক্তির এই বন্দরটি চালু হলে মাছ ধরা থেকে শুরু করে বিপণন—সব ক্ষেত্রেই এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : Namkhana FishingHarbor FishermenLivelihood WestBengalDevelopment

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


মৎস্যজীবীদের জন্য বড় উপহার! ৪০ কোটি ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নামখানা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে নামখানার হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর তীরে গড়ে উঠছে এক বিশাল ও অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর। প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বন্দরটি শুধু নামখানা নয়, বরং গোটা সুন্দরবন এলাকার মৎস্যশিল্পের ভোল বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীর তীরে প্রায় ১৫০০ মিটার লম্বা এবং ২৫০ মিটার চওড়া জায়গার ওপর এই সুবৃহৎ কর্মযজ্ঞ চলছে। মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে এখানে গড়ে তোলা হচ্ছে, নদী থেকে ট্রলার সরাসরি ডাঙায় তুলে সারাই করার জন্য থাকছে বিশেষ ডক। কয়েক হাজার কেজি মাছ টাটকা রাখার জন্য বড় কোল্ড স্টোরেজ বা শীতলতম ঘর এবং নিজস্ব বরফকল। মৎস্যজীবীদের রাত্রিযাপনের জন্য আলাদা ভবন এবং প্রশাসনিক ব্লক। ট্রলার খালি করার জন্য বিশেষ র‍্যাম্প, জাল সারাইয়ের জন্য চারটি বড় ছাউনি এবং পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও শৌচাগার।বর্তমানে যুদ্ধেরকালীন তৎপরতায় এই বন্দরের কাজ চলছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করে এটি মৎস্যজীবীদের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া। উন্নত প্রযুক্তির এই বন্দরটি চালু হলে মাছ ধরা থেকে শুরু করে বিপণন—সব ক্ষেত্রেই এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার