Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জাতীয় গানের সমান মর্যাদা! 'বন্দে মাতরম' গাওয়ার নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় গানের সমান মর্যাদা! 'বন্দে মাতরম' গাওয়ার নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্র

নয়াদিল্লি: জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র মতোই এবার থেকে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বিধি বা প্রোটোকল স্থির করে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বুধবার সকালে জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় গান গাওয়া বাধ্যতামূলক এবং এটি গাওয়ার সময় উপস্থিত সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

জাতীয় সঙ্গীতের মতো বন্দে মাতরমের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় গানের মোট ছ’টি স্তবক পরিবেশন করতে হবে।

গানটি শেষ করার জন্য সময় বরাদ্দ করা হয়েছে ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড)।

কখন গাওয়া বাধ্যতামূলক?

নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে জাতীয় গান গাইতে হবে:

১. জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়।

২. সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের আগমন এবং প্রস্থানের সময়।

৩. জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে।

৪. নাগরিক সম্মান বা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।

৫. কুচকাওয়াজে জাতীয় পতাকা আনার সময়।

কেন্দ্র জানিয়েছে, যে সব ক্ষেত্রে আগে কেবল জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার রীতি ছিল, সেখানে এখন থেকে জাতীয় সঙ্গীতের ঠিক আগেই ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে এবং উপস্থিত সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে কণ্ঠ মেলাতে হবে।

১০ পাতার এই নির্দেশিকায় একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনও সিনেমার অংশ হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হয়, সে ক্ষেত্রে দর্শকদের উঠে দাঁড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। কেন্দ্রের মতে, সিনেমা চলাকালীন উঠে দাঁড়ালে দর্শকদের অসুবিধা হতে পারে এবং তাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা জাতীয় গানের অবমাননার নামান্তর হতে পারে।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই দেশাত্মবোধক গানের সার্ধশতবর্ষ (১৫০ বছর) উদ্‌যাপন চলছে। ১৮৭৫ সালে রচিত এবং ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে প্রকাশিত এই গানটি ১৮৯৬ সালে প্রথম গেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দীর্ঘকাল ধরে বিজেপি জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিল। গত জানুয়ারিতে অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বৈঠকের পর অবশেষে এই বিধি চূড়ান্ত হলো।

কেবল সরকারি অনুষ্ঠানই নয়, স্কুলগুলিতেও সকালের প্রার্থনার সময় বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের মনে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় গানের প্রতি শ্রদ্ধা জাগিয়ে তুলতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।¯

বিষয় : Vande Mataram

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


জাতীয় গানের সমান মর্যাদা! 'বন্দে মাতরম' গাওয়ার নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্র

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র মতোই এবার থেকে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বিধি বা প্রোটোকল স্থির করে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বুধবার সকালে জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় গান গাওয়া বাধ্যতামূলক এবং এটি গাওয়ার সময় উপস্থিত সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।জাতীয় সঙ্গীতের মতো বন্দে মাতরমের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় গানের মোট ছ’টি স্তবক পরিবেশন করতে হবে।গানটি শেষ করার জন্য সময় বরাদ্দ করা হয়েছে ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড)।কখন গাওয়া বাধ্যতামূলক?নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে জাতীয় গান গাইতে হবে:১. জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়।২. সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের আগমন এবং প্রস্থানের সময়।৩. জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে।৪. নাগরিক সম্মান বা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।৫. কুচকাওয়াজে জাতীয় পতাকা আনার সময়।কেন্দ্র জানিয়েছে, যে সব ক্ষেত্রে আগে কেবল জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার রীতি ছিল, সেখানে এখন থেকে জাতীয় সঙ্গীতের ঠিক আগেই ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে এবং উপস্থিত সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে কণ্ঠ মেলাতে হবে।১০ পাতার এই নির্দেশিকায় একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনও সিনেমার অংশ হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হয়, সে ক্ষেত্রে দর্শকদের উঠে দাঁড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। কেন্দ্রের মতে, সিনেমা চলাকালীন উঠে দাঁড়ালে দর্শকদের অসুবিধা হতে পারে এবং তাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা জাতীয় গানের অবমাননার নামান্তর হতে পারে।বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই দেশাত্মবোধক গানের সার্ধশতবর্ষ (১৫০ বছর) উদ্‌যাপন চলছে। ১৮৭৫ সালে রচিত এবং ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে প্রকাশিত এই গানটি ১৮৯৬ সালে প্রথম গেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দীর্ঘকাল ধরে বিজেপি জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিল। গত জানুয়ারিতে অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বৈঠকের পর অবশেষে এই বিধি চূড়ান্ত হলো।কেবল সরকারি অনুষ্ঠানই নয়, স্কুলগুলিতেও সকালের প্রার্থনার সময় বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের মনে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় গানের প্রতি শ্রদ্ধা জাগিয়ে তুলতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।¯

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার