Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

৩৭ দিনের লড়াই শেষ: নিপা কেড়ে নিল তরুণী নার্সের প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩৭ দিনের লড়াই শেষ: নিপা কেড়ে নিল তরুণী নার্সের প্রাণ

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার থাবা বসালো প্রাণঘাতী নিপা ভাইরাস। দীর্ঘ ৩৭ দিন যমে-মানুষে লড়াই করার পর অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী নার্স। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়।


গত ১৫ ও ১৮ ডিসেম্বর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন নদীয়ার একটি গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ওই বাসিন্দা। ফেরার কিছুদিনের মধ্যেই প্রবল জ্বর ও অজ্ঞান হয়ে পড়ার উপসর্গ দেখা দেয়। প্রথমে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ এবং পরে বারাসতের হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, ভাইরাসের আক্রমণে তাঁর মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ভেন্টিলেশনে থাকার পর মাঝখানে কিছুটা উন্নতি হলেও, 'ভেন্টিলেশন অ্যাসোসিয়েটেড নিউমোনিয়া' পরিস্থিতি জটিল করে তোলে।


গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর একটি রিপোর্টে নিপা 'নেগেটিভ' এলেও, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী টানা দুটি রিপোর্ট নেগেটিভ আসা বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় পরীক্ষার আগেই এই দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু ঘটায় স্বাস্থ্য দফতর বিশেষ প্রোটোকল মেনে চলছে।


রাজ্যে নিপা আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। যদিও সহকর্মী অপর এক আক্রান্ত নার্স সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, কিন্তু এই তরুণীর প্রয়াণ জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে চিন্তার উদ্রেক করেছে। উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সমুদ্র সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, নিরাপত্তা খাতিরে কোভিডের মতো যাবতীয় প্রোটোকল মেনেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই সংকটকালীন সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


৩৭ দিনের লড়াই শেষ: নিপা কেড়ে নিল তরুণী নার্সের প্রাণ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার থাবা বসালো প্রাণঘাতী নিপা ভাইরাস। দীর্ঘ ৩৭ দিন যমে-মানুষে লড়াই করার পর অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী নার্স। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়।গত ১৫ ও ১৮ ডিসেম্বর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন নদীয়ার একটি গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ওই বাসিন্দা। ফেরার কিছুদিনের মধ্যেই প্রবল জ্বর ও অজ্ঞান হয়ে পড়ার উপসর্গ দেখা দেয়। প্রথমে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ এবং পরে বারাসতের হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।চিকিৎসকরা জানান, ভাইরাসের আক্রমণে তাঁর মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ভেন্টিলেশনে থাকার পর মাঝখানে কিছুটা উন্নতি হলেও, 'ভেন্টিলেশন অ্যাসোসিয়েটেড নিউমোনিয়া' পরিস্থিতি জটিল করে তোলে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর একটি রিপোর্টে নিপা 'নেগেটিভ' এলেও, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী টানা দুটি রিপোর্ট নেগেটিভ আসা বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় পরীক্ষার আগেই এই দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু ঘটায় স্বাস্থ্য দফতর বিশেষ প্রোটোকল মেনে চলছে।রাজ্যে নিপা আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। যদিও সহকর্মী অপর এক আক্রান্ত নার্স সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, কিন্তু এই তরুণীর প্রয়াণ জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে চিন্তার উদ্রেক করেছে। উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সমুদ্র সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, নিরাপত্তা খাতিরে কোভিডের মতো যাবতীয় প্রোটোকল মেনেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এই সংকটকালীন সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার