আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে মহাশিবরাত্রি। এই বিশেষ তিথিতে বাংলার মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উৎসবের আবহে তিনি কেবল শুভেচ্ছাই জানাননি, বরং বাংলার চিরন্তন শান্তি ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার কড়া বার্তাও দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, গত কয়েক বছরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিবমন্দিরগুলির সংস্কারে বিশেষ জোর দিয়েছে তাঁর সরকার।
তারকেশ্বর ধাম: মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন, দুধপুকুরের রাস্তা এবং ভক্তদের সুবিধার্থে 'তারকেশ্বর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি' গঠন।
জল্পেশ মন্দির: জলপাইগুড়ির এই বিখ্যাত মন্দিরে তৈরি হয়েছে আধুনিক স্কাইওয়াক।
১০৮ শিব মন্দির: বর্ধমান ও কালনার ঐতিহাসিক শিব মন্দিরগুলির সংস্কার ও আলোকসজ্জা।
উত্তরবঙ্গ স্পেশাল: শিলিগুড়িতে তৈরি হচ্ছে ‘মহাকাল মহাতীর্থ’, যেখানে স্থাপিত হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শিবমূর্তি।
অন্যান্য জেলা: বক্রেশ্বর (বীরভূম), শ্যামলেশ্বর (দাঁতন), হিরণ্যগর্ভ (কোচবিহার) এবং জাঙ্গিপাড়া ও চণ্ডীতলার প্রাচীন মন্দিরগুলির সার্বিক সংস্কার।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার সব ধর্মের মানুষের ভাবাবেগকে শ্রদ্ধা করে এবং ধর্মীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পর্যটনকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের প্রাক্কালে ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টার বিরুদ্ধে এটি এক শক্তিশালী সম্প্রীতির বার্তা।
এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন—সব ধর্মের সম্মান রক্ষা করাই বাংলার আসল সংস্কৃতি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন