Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আবাস যোজনার নথিতে হবে না ভোটার লিস্টে নাম! 'বাংলার বাড়ি' নিয়ে সিইও-কে কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আবাস যোজনার নথিতে হবে না ভোটার লিস্টে নাম! 'বাংলার বাড়ি' নিয়ে সিইও-কে কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের

কলকাতা: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেলেন অনেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ কিংবা রাজ্য সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের নথি দিয়ে এবার আর ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধন করা যাবে না। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (CEO) চিঠি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।


২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয় যে, আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ির জন্য পাওয়া সরকারি অনুমোদন বা আর্থিক সাহায্যের কাগজ দেখালেই কাজ হবে। অনেকেই শুনানির সময় এই নথি জমা দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা জানতে দিল্লির সদর দফতরে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। তারই জবাবে কমিশন স্পষ্ট জানায়, এই দুই প্রকল্পের নথি এ ক্ষেত্রে অচল।

কমিশন তাদের ব্যাখ্যায় সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছে। আদালত জানিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন যে সব নথির কথা উল্লেখ করেছে, কেবল সেগুলিই বৈধ বলে গণ্য হবে। সরকার প্রদত্ত জমি বা বাড়ির মালিকানার শংসাপত্র বৈধ হলেও, আবাস যোজনার অধীনে আর্থিক সাহায্যের অনুমোদন বা সংশ্লিষ্ট নথি মালিকানার প্রমাণ নয়। কমিশনের ১৯ জানুয়ারির নির্দেশিকার বাইরের কোনো নথি শুনানিতে গ্রহণ করা যাবে না।


রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআরের শুনানি শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে চলছে নথি যাচাইয়ের কাজ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

১. যাঁরা আবাস যোজনার নথি জমা দিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে পুনরায় বিকল্প নথি চাওয়া হতে পারে।

২. ভোটার তালিকায় কোনো বিদেশি নাগরিকের নাম নথিভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।


যাঁদের নাম সংশোধন বা অন্তর্ভুক্তির জন্য শুনানি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের নথিপত্র এখন আতশকাঁচের নিচে। ত্রুটিহীন এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আবাস যোজনার নথিতে হবে না ভোটার লিস্টে নাম! 'বাংলার বাড়ি' নিয়ে সিইও-কে কড়া বার্তা নির্বাচন কমিশনের

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেলেন অনেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ কিংবা রাজ্য সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের নথি দিয়ে এবার আর ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধন করা যাবে না। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (CEO) চিঠি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হয় যে, আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ির জন্য পাওয়া সরকারি অনুমোদন বা আর্থিক সাহায্যের কাগজ দেখালেই কাজ হবে। অনেকেই শুনানির সময় এই নথি জমা দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা জানতে দিল্লির সদর দফতরে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। তারই জবাবে কমিশন স্পষ্ট জানায়, এই দুই প্রকল্পের নথি এ ক্ষেত্রে অচল।কমিশন তাদের ব্যাখ্যায় সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছে। আদালত জানিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন যে সব নথির কথা উল্লেখ করেছে, কেবল সেগুলিই বৈধ বলে গণ্য হবে। সরকার প্রদত্ত জমি বা বাড়ির মালিকানার শংসাপত্র বৈধ হলেও, আবাস যোজনার অধীনে আর্থিক সাহায্যের অনুমোদন বা সংশ্লিষ্ট নথি মালিকানার প্রমাণ নয়। কমিশনের ১৯ জানুয়ারির নির্দেশিকার বাইরের কোনো নথি শুনানিতে গ্রহণ করা যাবে না।রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআরের শুনানি শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে চলছে নথি যাচাইয়ের কাজ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।১. যাঁরা আবাস যোজনার নথি জমা দিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে পুনরায় বিকল্প নথি চাওয়া হতে পারে।২. ভোটার তালিকায় কোনো বিদেশি নাগরিকের নাম নথিভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন।যাঁদের নাম সংশোধন বা অন্তর্ভুক্তির জন্য শুনানি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের নথিপত্র এখন আতশকাঁচের নিচে। ত্রুটিহীন এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার