Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শিশুদের জন্য কি বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-ইউটিউব? অস্ট্রেলিয়ার পথে হেঁটে কড়া আইনের ইঙ্গিত অশ্বিনী বৈষ্ণবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিশুদের জন্য কি বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-ইউটিউব? অস্ট্রেলিয়ার পথে হেঁটে কড়া আইনের ইঙ্গিত অশ্বিনী বৈষ্ণবের

নয়াদিল্লি: শিশুদের হাতে স্মার্টফোন আর অবাধ সমাজমাধ্যম (Social Media) ব্যবহারের দিন কি ফুরিয়ে এল? অস্ট্রেলিয়া বা ফ্রান্সের মতো ভারতও কি নির্দিষ্ট বয়সের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে? সরাসরি ‘হ্যাঁ’ না বললেও, কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সাম্প্রতিক বয়ানে তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমের কুপ্রভাব থেকে শিশুদের বাঁচাতে এবং ‘ডিপফেক’-এর মতো বিপদ মোকাবিলা করতে আরও শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির পথে হাঁটছে কেন্দ্র।


বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চলছে। অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায়, “শিশুদের এবং আমাদের সমাজকে এই ধরণের প্ল্যাটফর্মের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। বর্তমানে যে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। এর বাইরে আরও কী কী কঠোর পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করছি।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, মেটা (ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম), ইউটিউব বা এক্স (টুইটার)— সংস্থা যাই হোক না কেন, তাদের ভারতীয় সংবিধান ও আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই কাজ করতে হবে।


উল্লেখ্য, গত বছর ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কমবয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। ইতিমধ্যেই সেখানে কয়েক লক্ষ অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। ফ্রান্সের মতো দেশও একই পথে হাঁটছে। ভারতেও সংসদীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করছে। মন্ত্রীর মতে, এই বিষয়ে সংসদের সকল সদস্যকে একমত হতে হবে।


শিশুদের সুরক্ষার পাশাপাশি ‘ডিপফেক’ (AI ব্যবহার করে তৈরি নকল ভিডিও বা ছবি) নিয়ন্ত্রণ করাও সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, ডিপফেক একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা এবং এটি শক্ত হাতে মোকাবিলা করা জরুরি। আগামী দিনে সরকার এমন এক রূপরেখা তৈরি করতে চাইছে যেখানে ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা আরও সুনিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


শিশুদের জন্য কি বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-ইউটিউব? অস্ট্রেলিয়ার পথে হেঁটে কড়া আইনের ইঙ্গিত অশ্বিনী বৈষ্ণবের

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: শিশুদের হাতে স্মার্টফোন আর অবাধ সমাজমাধ্যম (Social Media) ব্যবহারের দিন কি ফুরিয়ে এল? অস্ট্রেলিয়া বা ফ্রান্সের মতো ভারতও কি নির্দিষ্ট বয়সের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে? সরাসরি ‘হ্যাঁ’ না বললেও, কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সাম্প্রতিক বয়ানে তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমের কুপ্রভাব থেকে শিশুদের বাঁচাতে এবং ‘ডিপফেক’-এর মতো বিপদ মোকাবিলা করতে আরও শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির পথে হাঁটছে কেন্দ্র।বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চলছে। অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায়, “শিশুদের এবং আমাদের সমাজকে এই ধরণের প্ল্যাটফর্মের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। বর্তমানে যে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। এর বাইরে আরও কী কী কঠোর পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবনাচিন্তা করছি।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, মেটা (ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম), ইউটিউব বা এক্স (টুইটার)— সংস্থা যাই হোক না কেন, তাদের ভারতীয় সংবিধান ও আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই কাজ করতে হবে।উল্লেখ্য, গত বছর ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কমবয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। ইতিমধ্যেই সেখানে কয়েক লক্ষ অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। ফ্রান্সের মতো দেশও একই পথে হাঁটছে। ভারতেও সংসদীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করছে। মন্ত্রীর মতে, এই বিষয়ে সংসদের সকল সদস্যকে একমত হতে হবে।শিশুদের সুরক্ষার পাশাপাশি ‘ডিপফেক’ (AI ব্যবহার করে তৈরি নকল ভিডিও বা ছবি) নিয়ন্ত্রণ করাও সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, ডিপফেক একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা এবং এটি শক্ত হাতে মোকাবিলা করা জরুরি। আগামী দিনে সরকার এমন এক রূপরেখা তৈরি করতে চাইছে যেখানে ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা আরও সুনিশ্চিত হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার