বসিরহাট: সাতসকালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (CBI) অভিযানে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল বসিরহাটের সাইপালা এলাকায়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে এক বস্ত্র ব্যবসায়ীর বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি শুরু করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। বসিরহাটের পরিচিত ব্যবসায়ী অভিজিৎ ঘোষের বাড়িতে এই অভিযানে স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন ভোর ৬টা নাগাদ সিবিআই-এর একটি ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল অভিযান চালায় বসিরহাটের সাইপালা এলাকায় অভিজিৎ ঘোষের বাড়িতে। দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁর বাড়ির ভিতর নথিপত্র খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকার আদি বাসিন্দা অভিজিৎ গত ১৫ বছর ধরে সাইপালায় একটি দোতলা বাড়িতে সপরিবার বসবাস করছেন। এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় চলছে এই তল্লাশি অভিযান।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে এই অভিযানের নেপথ্যে সরাসরি কোনও কারণ জানানো না হলেও, স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্র মারফত একটি নাম বারবার উঠে আসছে— বারিক বিশ্বাস। জানা গিয়েছে, বসিরহাটের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বারিক বিশ্বাসের সঙ্গে একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল অভিজিৎ ঘোষের। উল্লেখ্য, এই বারিক বিশ্বাসের নাম আগেই জড়িয়েছিল রেশন দুর্নীতি মামলায়।
এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অভিজিৎ ঘোষ একজন ‘ভদ্র প্রতিবেশী’ হিসাবেই পরিচিত। স্থানীয়দের দাবি, অভিজিতের ব্যবহার অত্যন্ত নম্র এবং পাড়ায় তাঁর ভাবমূর্তি যথেষ্ট ভালো। এলাকায় তিনি দীর্ঘকাল থাকলেও তাঁর বাড়িতে এই আকস্মিক সিবিআই অভিযানের কারণ নিয়ে ধন্দে প্রতিবেশীরা। সূত্রের খবর, বসিরহাটের এই বাড়ি ছাড়াও কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে অভিজিতের একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি ও সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সিবিআই আধিকারিকরা বাড়ি থেকে কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন কিনা বা অভিজিৎকে আটক করা হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে, সকাল থেকে শুরু হওয়া এই তল্লাশিতে যে নতুন কোনও বড় দুর্নীতির যোগসূত্র মিলতে পারে, এমনটাও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন