Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বেসরকারি চাকুরেদের কপালে কি জুটবে বেকার ভাতা? আবেদনের আগে জেনে নিন সরকারি গাইডলাইন!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বেসরকারি চাকুরেদের কপালে কি জুটবে বেকার ভাতা? আবেদনের আগে জেনে নিন সরকারি গাইডলাইন!

রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়াতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত নতুন প্রকল্প নিয়ে বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের অধীনে ১০ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তবে আবেদনের ধুম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিশেষ প্রশ্ন চাকরিপ্রার্থীদের মনে ঘোরাফেরা করছে— যাঁরা বর্তমানে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছেন কিংবা চুক্তিভিত্তিতে কর্মরত, তাঁরাও কি এই বেকার ভাতার সুবিধা পাবেন? এই বিষয়টি নিয়ে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, তা আবেদন করার আগে প্রত্যেকের জেনে রাখা জরুরি।


যুবসাথী (Yuva Sathi Scheme) প্রকল্পের সরকারি নির্দেশিকায় যোগ্যতার মাপকাঠি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং তাঁর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো, আবেদনকারীকে 'সম্পূর্ণ বেকার' হতে হবে। অর্থাৎ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যাঁরা কোনো বেসরকারি সংস্থায় নিয়মিত কাজ করছেন বা বেতন পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না। বিশেষ করে যে সমস্ত বেসরকারি কর্মীরা প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) বা অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পান, তাঁদের আবেদন গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক বা যাঁরা দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম কতটা শিথিল হবে তা নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে, কারণ তাঁদের রোজগারের কোনো স্থায়ী নথি থাকে না। তবুও বিজ্ঞপ্তির বয়ান অনুযায়ী, এটি মূলত কর্মহীনদের জন্যই তৈরি একটি প্রকল্প।


আগ্রহী আবেদনকারীরা খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইট https://apas.wb.gov.in-এ যেতে হবে। সেখানে 'ক্লিক টু অ্যাপ্লাই' অপশনে গিয়ে নিজের সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর একটি ডিজিটাল ফর্ম খুলে যাবে, যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে সাবমিট করলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এছাড়া অনলাইনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নিজ নিজ বিধানসভা এলাকার বিশেষ ক্যাম্প থেকেও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তাই ভুল তথ্য না দিয়ে সঠিক নিয়ম জেনে আবেদন করাই শ্রেয়।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বেসরকারি চাকুরেদের কপালে কি জুটবে বেকার ভাতা? আবেদনের আগে জেনে নিন সরকারি গাইডলাইন!

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়াতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত নতুন প্রকল্প নিয়ে বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের অধীনে ১০ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তবে আবেদনের ধুম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিশেষ প্রশ্ন চাকরিপ্রার্থীদের মনে ঘোরাফেরা করছে— যাঁরা বর্তমানে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছেন কিংবা চুক্তিভিত্তিতে কর্মরত, তাঁরাও কি এই বেকার ভাতার সুবিধা পাবেন? এই বিষয়টি নিয়ে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, তা আবেদন করার আগে প্রত্যেকের জেনে রাখা জরুরি।যুবসাথী (Yuva Sathi Scheme) প্রকল্পের সরকারি নির্দেশিকায় যোগ্যতার মাপকাঠি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং তাঁর বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো, আবেদনকারীকে 'সম্পূর্ণ বেকার' হতে হবে। অর্থাৎ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যাঁরা কোনো বেসরকারি সংস্থায় নিয়মিত কাজ করছেন বা বেতন পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না। বিশেষ করে যে সমস্ত বেসরকারি কর্মীরা প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) বা অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পান, তাঁদের আবেদন গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক বা যাঁরা দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম কতটা শিথিল হবে তা নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে, কারণ তাঁদের রোজগারের কোনো স্থায়ী নথি থাকে না। তবুও বিজ্ঞপ্তির বয়ান অনুযায়ী, এটি মূলত কর্মহীনদের জন্যই তৈরি একটি প্রকল্প।আগ্রহী আবেদনকারীরা খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে এই প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইট https://apas.wb.gov.in-এ যেতে হবে। সেখানে 'ক্লিক টু অ্যাপ্লাই' অপশনে গিয়ে নিজের সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর একটি ডিজিটাল ফর্ম খুলে যাবে, যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে সাবমিট করলেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এছাড়া অনলাইনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নিজ নিজ বিধানসভা এলাকার বিশেষ ক্যাম্প থেকেও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তাই ভুল তথ্য না দিয়ে সঠিক নিয়ম জেনে আবেদন করাই শ্রেয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার