Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চিনের ঘুম কাড়বে ভারতের ‘অরিদমন’!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চিনের ঘুম কাড়বে ভারতের ‘অরিদমন’!

নয়াদিল্লি: ভারত মহাসাগরে লাল ফৌজের ক্রমবর্ধমান নজরদারি ও দাপটের মোক্ষম জবাব দিতে প্রস্তুত ভারত। আগামী দু’মাসের মধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর ভাঁড়ারে যুক্ত হতে চলেছে তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন (Nuclear Submarine) ‘অরিদমন’। ‘অরিহন্ত’ ও ‘অরিঘাত’-এর পর বিশাখাপত্তনমের জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রে তৈরি এই ডুবোজাহাজটি ভারতের ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ বা পাল্টা পরমাণু হানার ক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।


এলঅ্যান্ডটি (L&T)-র তৈরি এই সাবমেরিনটি মূলত ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’ বা এসএসবিএন শ্রেণির। এর বিশেষত্ব হল, এটি পারমাণবিক শক্তিচালিত এবং পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ডুবোজাহাজে থাকবে - কে-১৫ মিসাইল - যার পাল্লা ৭৫০ কিলোমিটার, কে-৪ ব্যালেস্টিক মিসাইল - যার পাল্লা ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি। সমুদ্রের অতল গভীরে লুকিয়ে থাকা এই সাবমেরিন থেকে শত্রু দেশের যেকোনও প্রান্তে নিখুঁত নিশানায় পরমাণু হামলা চালানো সম্ভব।


আধুনিক রণকৌশল অনুযায়ী, কোনও  শত্রু দেশ যদি ভারতের স্থলভাগের পরমাণু পরিকাঠামো ধ্বংস করে দেয়, তাহলেও সমুদ্রের গভীরে থাকা এই সাবমেরিনগুলো থেকে পাল্টা হামলা (Second Strike) চালানো যাবে। সমুদ্রের কোথায় এই ডুবোজাহাজ লুকিয়ে আছে, তা প্রতিপক্ষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব। ফলে ভারতের এই রণসজ্জা চিনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের পর থেকেই জলপথে পারমাণবিক সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল দিল্লি। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০১৬ সালে প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিহন্ত’ হাতে আসে। ‘অরিঘাত’-এর পর এবার ‘অরিদমন’ যোগ দিচ্ছে নৌবাহিনীতে। তবে এখানেই শেষ নয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, চলতি বছরের মধ্যেই চতুর্থ পারমাণবিক সাবমেরিনটিও সমুদ্রে নামানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, একের পর এক পরমাণু অস্ত্র-সহ সাবমেরিন সমুদ্রে নামিয়ে ভারত স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করবে না নয়াদিল্লি।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


চিনের ঘুম কাড়বে ভারতের ‘অরিদমন’!

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: ভারত মহাসাগরে লাল ফৌজের ক্রমবর্ধমান নজরদারি ও দাপটের মোক্ষম জবাব দিতে প্রস্তুত ভারত। আগামী দু’মাসের মধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর ভাঁড়ারে যুক্ত হতে চলেছে তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন (Nuclear Submarine) ‘অরিদমন’। ‘অরিহন্ত’ ও ‘অরিঘাত’-এর পর বিশাখাপত্তনমের জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রে তৈরি এই ডুবোজাহাজটি ভারতের ‘সেকেন্ড স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ বা পাল্টা পরমাণু হানার ক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।এলঅ্যান্ডটি (L&T)-র তৈরি এই সাবমেরিনটি মূলত ‘শিপ সাবমার্সিবল ব্যালেস্টিক নিউক্লিয়ার’ বা এসএসবিএন শ্রেণির। এর বিশেষত্ব হল, এটি পারমাণবিক শক্তিচালিত এবং পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ডুবোজাহাজে থাকবে - কে-১৫ মিসাইল - যার পাল্লা ৭৫০ কিলোমিটার, কে-৪ ব্যালেস্টিক মিসাইল - যার পাল্লা ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি। সমুদ্রের অতল গভীরে লুকিয়ে থাকা এই সাবমেরিন থেকে শত্রু দেশের যেকোনও প্রান্তে নিখুঁত নিশানায় পরমাণু হামলা চালানো সম্ভব।আধুনিক রণকৌশল অনুযায়ী, কোনও  শত্রু দেশ যদি ভারতের স্থলভাগের পরমাণু পরিকাঠামো ধ্বংস করে দেয়, তাহলেও সমুদ্রের গভীরে থাকা এই সাবমেরিনগুলো থেকে পাল্টা হামলা (Second Strike) চালানো যাবে। সমুদ্রের কোথায় এই ডুবোজাহাজ লুকিয়ে আছে, তা প্রতিপক্ষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব। ফলে ভারতের এই রণসজ্জা চিনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের হৃদয়ে কাঁপন ধরাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের পর থেকেই জলপথে পারমাণবিক সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল দিল্লি। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর ২০১৬ সালে প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন ‘অরিহন্ত’ হাতে আসে। ‘অরিঘাত’-এর পর এবার ‘অরিদমন’ যোগ দিচ্ছে নৌবাহিনীতে। তবে এখানেই শেষ নয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, চলতি বছরের মধ্যেই চতুর্থ পারমাণবিক সাবমেরিনটিও সমুদ্রে নামানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, একের পর এক পরমাণু অস্ত্র-সহ সাবমেরিন সমুদ্রে নামিয়ে ভারত স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করবে না নয়াদিল্লি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার