Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

৩০০ টাকার টিকিট ২ হাজারে! শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’ ঘিরে কালোবাজারির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩০০ টাকার টিকিট ২ হাজারে! শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’ ঘিরে কালোবাজারির অভিযোগ

ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর শান্তিনিকেতনের জনপ্রিয় ‘হেরিটেজ ওয়াক’ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ৩০০ টাকার টিকিট দুই হাজার টাকায় বিক্রির মতো গুরুতর কালোবাজারির অভিযোগ ওঠায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে আশ্রম এলাকায়। এই বিতর্কের মাঝেই পর্যটকদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।



বিশ্বভারতীর এমটিএস (MTS) স্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক সহকারী অধ্যাপক এই টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী আধার কার্ড দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে অগ্রিম বুকিং করার কথা, সেখানে ওই অধ্যাপক আধার যাচাই ছাড়াই কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে পর্যটকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এই মর্মে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকেও ইমেল মারফত অভিযোগ জানানো হয়েছে।


বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমস্ত অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘অমূলক’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ঈর্ষাকাতর হয়ে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটাচ্ছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে:


‘হেরিটেজ ওয়াক’-এর টিকিট একমাত্র রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালার কাউন্টার থেকেই সরাসরি পাওয়া যায়। অন্য কোনো মাধ্যমে টিকিট বিক্রির সুযোগ নেই।


স্বচ্ছতা বাড়াতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই অনলাইনে টিকিট বুকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।

বর্তমানে পর্যটকদের জন্য টিকিটের দাম ৩০০ টাকা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১৫০ টাকা ধার্য রয়েছে।

কর্তৃপক্ষের এই প্রেস বিজ্ঞপ্তির ভাষা ও শব্দচয়ন নিয়ে আবার নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিশ্বভারতীর একাংশ অধ্যাপক, পড়ুয়া ও আশ্রমিকদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর সঠিক তদন্ত না করে এমন ‘আক্রমণাত্মক’ ও ‘হিংসামূলক’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ রবীন্দ্র সংস্কৃতির পরিপন্থী। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, পর্যটকদের বিভ্রান্তি থেকে বাঁচাতে এবং সতর্ক করতেই এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।


কোভিড পরিস্থিতির পর দীর্ঘদিন আশ্রম চত্বর সাধারণের জন্য বন্ধ থাকার পর ২০২৩ সালের জুলাই মাসে উপাচার্যের উদ্যোগে এই হেরিটেজ ভ্রমণের সূচনা হয়। বর্তমানে সপ্তাহের প্রতি শুক্র, শনি ও রবিবার গাইড সহযোগে পর্যটকেরা ঐতিহাসিক স্থানগুলি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

বিষয় : SHANTINIKETAN TOURISM HERITAGE WALK ONLINE TICKETY BOKKING BISWABHARATI MTS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


৩০০ টাকার টিকিট ২ হাজারে! শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’ ঘিরে কালোবাজারির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর শান্তিনিকেতনের জনপ্রিয় ‘হেরিটেজ ওয়াক’ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ৩০০ টাকার টিকিট দুই হাজার টাকায় বিক্রির মতো গুরুতর কালোবাজারির অভিযোগ ওঠায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে আশ্রম এলাকায়। এই বিতর্কের মাঝেই পর্যটকদের সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।বিশ্বভারতীর এমটিএস (MTS) স্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক সহকারী অধ্যাপক এই টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী আধার কার্ড দেখিয়ে ৩০০ টাকার বিনিময়ে অগ্রিম বুকিং করার কথা, সেখানে ওই অধ্যাপক আধার যাচাই ছাড়াই কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে পর্যটকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এই মর্মে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকেও ইমেল মারফত অভিযোগ জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমস্ত অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘অমূলক’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ঈর্ষাকাতর হয়ে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটাচ্ছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে:‘হেরিটেজ ওয়াক’-এর টিকিট একমাত্র রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালার কাউন্টার থেকেই সরাসরি পাওয়া যায়। অন্য কোনো মাধ্যমে টিকিট বিক্রির সুযোগ নেই।স্বচ্ছতা বাড়াতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই অনলাইনে টিকিট বুকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।বর্তমানে পর্যটকদের জন্য টিকিটের দাম ৩০০ টাকা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১৫০ টাকা ধার্য রয়েছে।কর্তৃপক্ষের এই প্রেস বিজ্ঞপ্তির ভাষা ও শব্দচয়ন নিয়ে আবার নতুন করে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বিশ্বভারতীর একাংশ অধ্যাপক, পড়ুয়া ও আশ্রমিকদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর সঠিক তদন্ত না করে এমন ‘আক্রমণাত্মক’ ও ‘হিংসামূলক’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ রবীন্দ্র সংস্কৃতির পরিপন্থী। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, পর্যটকদের বিভ্রান্তি থেকে বাঁচাতে এবং সতর্ক করতেই এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।কোভিড পরিস্থিতির পর দীর্ঘদিন আশ্রম চত্বর সাধারণের জন্য বন্ধ থাকার পর ২০২৩ সালের জুলাই মাসে উপাচার্যের উদ্যোগে এই হেরিটেজ ভ্রমণের সূচনা হয়। বর্তমানে সপ্তাহের প্রতি শুক্র, শনি ও রবিবার গাইড সহযোগে পর্যটকেরা ঐতিহাসিক স্থানগুলি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার