আমতলা: জল্পনার অবসান, বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো খোদ ডায়মন্ড হারবারেই। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে যে প্রতীক উর রহমান লড়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, শনিবার সেই প্রতীকই ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন হলো এই হাইভোল্টেজ দলবদল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনা বাংলার রাজনৈতিক মহলে বড়সড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কয়েক দিন ধরেই প্রতীকের একটি চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তোলপাড় শুরু হয়েছিল। সিপিএমের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু থেকে শুরু করে মহম্মদ সেলিম— প্রতীকের মান ভাঙাতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন আলিমুদ্দিনের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেলিম সাহেব একে ‘সন্তান হারানোর যন্ত্রণা’র সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। কিন্তু দলের ‘পক্ককেশ’ নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে শেষ পর্যন্ত বাম-সঙ্গ ত্যাগই করলেন এই লড়াকু যুবনেতা।
এদিন আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে প্রথমে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক। বিকেলে প্রতীকের যোগদানের পর তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তবে রাজনীতির অলিন্দে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— প্রতীক তো এলেন, এরপর কে? শোনা যাচ্ছে, সিপিএমের আরও দুই পরিচিত মুখ সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধরও নাকি রাজনৈতিক ‘জল মাপছেন’। তাঁরাও কি প্রতীকের দেখানো পথেই হাঁটবেন? এই আশঙ্কাতেই এখন কপালে চিন্তার ভাঁজ বাম শিবিরের প্রবীণ নেতাদের।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন