কলকাতা: মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) আবেগঘন বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লিখেছেন, "প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল রায়জির প্রয়াণে আমি মর্মাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। ওম শান্তি।"
২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ে জয়ী হন তিনি। যদিও জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি সপুত্র তৃণমূলে ফিরে আসেন। কিন্তু, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে, আইনত তিনি ‘বিজেপি বিধায়ক’ হিসেবেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন। এই পরিচয়েই তাঁকে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল।
মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোক জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লেখেন, "বিশিষ্ট প্রবীণ রাজনীতিবিদের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করি।"
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং বর্ষীয়ান নেতা দিলীপ ঘোষও মুকুল রায়ের অভাব অনুভব করছেন। দিলীপ ঘোষ তাঁর স্মৃতিচারণায় বলেন, "পার্টি যখন সমৃদ্ধ হচ্ছিল তখন মুকুল রায় এসেছিলেন। তাঁর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে আমরা উপদেষ্টা হিসাবে কাজে লাগিয়েছি। শেষ জীবনে নিশ্চয়ই তাঁর কোনও বাধ্যবাধকতা ছিল, তাই তিনি তৃণমূলে ফিরে গিয়েছিলেন।" অন্যদিকে, ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং তাঁকে ‘বড় মাপের রাজনীতিবিদ’ বলে অভিহিত করেছেন।
শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, সোমবার হাসপাতাল থেকে মুকুল রায়ের মরদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। বাংলার রাজনৈতিক স্থাপত্যের এক স্তম্ভের পতনে আজ সত্যিই রিক্ত রাজ্য রাজনীতি।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন