বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজার আগেই বড়সড় বিতর্কে নাম জড়াল তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর। সিনেমা তৈরির নাম করে টাকা নিয়ে তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে এবার তাঁর কাছে পৌঁছাল আইনি নোটিস। শাহিদ ইমাম নামে এক ব্যক্তি সোহমের বিরুদ্ধে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ খেলাপের এই গুরুতর অভিযোগ এনে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের জুলাই মাসে। অভিযোগ অনুযায়ী, ‘মানিকজোড়’ নামক একটি বাংলা সিনেমা তৈরির জন্য শাহিদ ইমামের সঙ্গে সোহম চক্রবর্তীর লিখিত চুক্তি হয়েছিল। সেই সিনেমাটিতে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা ছিল শাহিদের, যার প্রথম কিস্তি হিসেবে তিনি ৬৮ লক্ষ টাকা সোহমকে প্রদান করেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, টাকা নেওয়ার পর সিনেমাটির কাজ এগোতে সোহম কোনও আগ্রহ দেখাননি। স্ক্রিপ্ট চূড়ান্ত করা বা শুটিংয়ের সময় নির্ধারণ— কোনও কাজই এগোয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
মাঝে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শাহিদ ইমাম জেল খাটলেও, ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি তাঁর প্রাপ্য টাকা ফেরত চান। শাহিদের দাবি, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাঁকে ফেরত দেওয়া হলেও বাকি টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে। বারবার দাবি জানিয়েও টাকা না পাওয়ায় শেষমেশ তিনি আইনি নোটিস পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন।
অন্যদিকে, এই গোটা ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সোহম চক্রবর্তী। তাঁর পাল্টা দাবি, শাহিদের সঙ্গে টাকা মেটানো নিয়ে তাঁর আগেই কথা হয়েছে। ভোটের আগে তাঁর চরিত্র কালিমালিপ্ত করার জন্যই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। নির্বাচনের ঠিক আগে শাসকদলের একজন তারকা বিধায়কের বিরুদ্ধে এমন আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ যে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট অস্বস্তি বাড়াবে, তা বলাই বাহুল্য।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন