Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

"বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা", পাঠ্যবই বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
 "বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা", পাঠ্যবই বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর

নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি (NCERT) পাঠ্যবইয়ে বিচারব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ হিসাবে দাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের আবহে এই ঘটনার জন্য গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন তিনি। তবে, সরকারের এই ক্ষমাপ্রার্থনা বা অনুশোচনায় বরফ গলেনি সুপ্রিম কোর্টের। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পর্যবেক্ষণ, “বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে গিয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা রক্তাক্ত।”


সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, বিচারব্যবস্থার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। কোনওভাবেই আদালতকে অসম্মান করার অভিপ্রায় সরকারের নেই। তিনি স্পষ্ট করেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই পরবর্তী সমস্ত পদক্ষেপ করা হবে এবং বিতর্কিত বিষয়বস্তু সংশোধনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বৃহস্পতিবার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ গোটা ঘটনাটিকে ‘মারাত্মক অবমাননাকর’ এবং ‘বেপরোয়া’ বলে চিহ্নিত করেছে। এনসিইআরটির ডিরেক্টর দীনেশ প্রসাদ সাকলানি এবং স্কুলশিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে ইতিমধ্য়েই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। আদালতের প্রশ্ন, কেন এই ঘটনার জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে না?


যদিও এনসিইআরটি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই ত্রুটিকে ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলে দাবি করেছে এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু, তাতে সন্তুষ্ট নয় আদালত। ২৬ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়েছেন, “এই ক্ষমা প্রার্থনা আদৌ আন্তরিক, নাকি উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের কৌশল — তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।”


গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ করার পরই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা দফতর। বুধবারই জানানো হয়েছে, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ সংক্রান্ত অধ্যায়টি থেকে সমস্ত অবমাননাকর অংশ বাদ দিয়ে দ্রুত সংশোধন করা হবে।


বর্তমানে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ওই বইটি দেশে ও বিদেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বাজার থেকে সমস্ত কপি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু নিয়ে এমন সংঘাত আগে কখনও দেখা যায়নি।

বিষয় : shikkhamontri centralgovernment educationalnews ncert book cancelation dharmenra pradhan

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


"বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা", পাঠ্যবই বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি (NCERT) পাঠ্যবইয়ে বিচারব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ হিসাবে দাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের আবহে এই ঘটনার জন্য গভীর দুঃখপ্রকাশ করেছেন তিনি। তবে, সরকারের এই ক্ষমাপ্রার্থনা বা অনুশোচনায় বরফ গলেনি সুপ্রিম কোর্টের। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পর্যবেক্ষণ, “বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে গিয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা রক্তাক্ত।”সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, বিচারব্যবস্থার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। কোনওভাবেই আদালতকে অসম্মান করার অভিপ্রায় সরকারের নেই। তিনি স্পষ্ট করেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই পরবর্তী সমস্ত পদক্ষেপ করা হবে এবং বিতর্কিত বিষয়বস্তু সংশোধনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বৃহস্পতিবার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ গোটা ঘটনাটিকে ‘মারাত্মক অবমাননাকর’ এবং ‘বেপরোয়া’ বলে চিহ্নিত করেছে। এনসিইআরটির ডিরেক্টর দীনেশ প্রসাদ সাকলানি এবং স্কুলশিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে ইতিমধ্য়েই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। আদালতের প্রশ্ন, কেন এই ঘটনার জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে না?যদিও এনসিইআরটি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই ত্রুটিকে ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলে দাবি করেছে এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু, তাতে সন্তুষ্ট নয় আদালত। ২৬ ফেব্রুয়ারির শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়েছেন, “এই ক্ষমা প্রার্থনা আদৌ আন্তরিক, নাকি উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের কৌশল — তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।”গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ করার পরই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা দফতর। বুধবারই জানানো হয়েছে, অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ সংক্রান্ত অধ্যায়টি থেকে সমস্ত অবমাননাকর অংশ বাদ দিয়ে দ্রুত সংশোধন করা হবে।বর্তমানে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ওই বইটি দেশে ও বিদেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং বাজার থেকে সমস্ত কপি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু নিয়ে এমন সংঘাত আগে কখনও দেখা যায়নি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার