বিশ্বজুড়ে প্লাস্টিক দূষণ এখন এক নীরব বিপর্যয়ের রূপ নিচ্ছে। The Kunming-Montreal Global Biodiversity Framework ২০৩০ সালের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ নির্মূলের লক্ষ্য স্থির করলেও বাস্তবে পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। পরিবেশবিদদের মতে, পরিকল্পনা থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপের গতি অত্যন্ত ধীর।
সমুদ্র থেকে পুকুর - সবখানেই প্লাস্টিকের দখল
আগে মনে করা হত প্লাস্টিক দূষণ শুধুই সমুদ্রসীমায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সমুদ্র থেকে ভেসে আসা প্লাস্টিক ছোট ছোট পুকুর ও মিঠা জলের হ্রদেও জমছে। এই প্লাস্টিক থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ভারী ধাতু জলে মিশে পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলছে।
এই জল পান করছে পাখি ও বন্যপ্রাণী। খাদ্যচক্রের মাধ্যমে সেই দূষণ মানুষের শরীরেও প্রবেশ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন বাতাস, জল এবং খাদ্য—সব জায়গাতেই ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, প্রকৃতির ভান্ডারেও বাড়ছে বিপদ
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত Norway- তেও পরিস্থিতি চিন্তার। উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক জমছে। পরিষ্কার অভিযান চালানো হলেও সমুদ্রস্রোতের মাধ্যমে নতুন করে প্লাস্টিক এসে পড়ছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এক ধরনের “চক্রবৃদ্ধি দূষণ”—যত সময় যাচ্ছে, ততই প্লাস্টিক জমে সমস্যা আরও বড় হচ্ছে। এর ফলে সামুদ্রিক প্রাণী, পাখি এবং বহু প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে।
বিপদের বড় কারণ মাইক্রোপ্লাস্টিক
বড় প্লাস্টিক ধীরে ধীরে ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র কণাগুলো সহজে চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এগুলোই সবচেয়ে বিপজ্জনক।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন