Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মধ্যরাতে নেতানিয়াহুকে ফোন মোদীর! যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানিয়ে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬
মধ্যরাতে নেতানিয়াহুকে ফোন মোদীর! যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানিয়ে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইজ়রায়েল সংঘাত যখন চরমে, ঠিক সেই মুহূর্তে বিশ্বশান্তি রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা নিল ভারত। রবিবার মধ্যরাতে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। ইরান ও ইজ়রায়েলের এই বিধ্বংসী লড়াই থামাতে এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ জোর দিয়েছেন মোদী।

প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে এই ফোনালাপের কথা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের গভীর উদ্বেগের কথা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে জানিয়েছি। যুদ্ধের আবহে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে যেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, সে বিষয়েও কথা হয়েছে।” যুদ্ধবিরতির আর্জি জানানোর পাশাপাশি মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজা প্রয়োজন।

রবিবার বিদেশ সফর থেকে ফিরেই মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণ—এই দুটি বিষয়ই ছিল বৈঠকের মূল এজেন্ডা। বৈঠকের পরেই তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও কথা বলেন। আমিরশাহীর ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান মোদী। কঠিন সময়ে ভারত পাশে আছে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

ইরান ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বহু ভারতীয় পড়ুয়া ও কর্মী রয়েছেন। তবে এখনই তাঁদের উদ্ধার করে আনার পরিকল্পনা নিচ্ছে না কেন্দ্র। বিপুল সংখ্যক মানুষকে সরিয়ে আনা এই মুহূর্তে অত্যন্ত কঠিন কাজ। তার বদলে প্রতিটি দেশে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং ভারতীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


ইজরায়েল সফরের রেশ কাটতে না কাটতেই এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ভারতকে বেশ চাপে ফেলেছে। একদিকে যেমন ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল আমদানি থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও ইজ়রায়েলি বিদেশমন্ত্রী জিডিওন সারের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এখন দেখার, মোদীর এই মধ্যস্থতা পশ্চিম এশিয়ায় শান্তির পথে কতটা সহায়ক হয়।

বিষয় : US Iran war

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


মধ্যরাতে নেতানিয়াহুকে ফোন মোদীর! যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানিয়ে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইজ়রায়েল সংঘাত যখন চরমে, ঠিক সেই মুহূর্তে বিশ্বশান্তি রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা নিল ভারত। রবিবার মধ্যরাতে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। ইরান ও ইজ়রায়েলের এই বিধ্বংসী লড়াই থামাতে এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ জোর দিয়েছেন মোদী।প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে এই ফোনালাপের কথা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের গভীর উদ্বেগের কথা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে জানিয়েছি। যুদ্ধের আবহে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে যেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, সে বিষয়েও কথা হয়েছে।” যুদ্ধবিরতির আর্জি জানানোর পাশাপাশি মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজা প্রয়োজন।রবিবার বিদেশ সফর থেকে ফিরেই মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণ—এই দুটি বিষয়ই ছিল বৈঠকের মূল এজেন্ডা। বৈঠকের পরেই তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও কথা বলেন। আমিরশাহীর ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান মোদী। কঠিন সময়ে ভারত পাশে আছে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।ইরান ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বহু ভারতীয় পড়ুয়া ও কর্মী রয়েছেন। তবে এখনই তাঁদের উদ্ধার করে আনার পরিকল্পনা নিচ্ছে না কেন্দ্র। বিপুল সংখ্যক মানুষকে সরিয়ে আনা এই মুহূর্তে অত্যন্ত কঠিন কাজ। তার বদলে প্রতিটি দেশে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং ভারতীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ইজরায়েল সফরের রেশ কাটতে না কাটতেই এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ভারতকে বেশ চাপে ফেলেছে। একদিকে যেমন ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল আমদানি থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও ইজ়রায়েলি বিদেশমন্ত্রী জিডিওন সারের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এখন দেখার, মোদীর এই মধ্যস্থতা পশ্চিম এশিয়ায় শান্তির পথে কতটা সহায়ক হয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার