কলকাতা: ছাব্বিশের মহারণের আগে বাংলার মাটি এখন রাজনৈতিক উত্তাপে ফুটছে। সোমবার মথুরাপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সরকারকে একের পর এক যে আক্রমণ শানিয়েছেন, ঠিক সেই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে এবার পালটা জবাব দিতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৮ মার্চ, রবিবার রায়দিঘিতে শাহী-সভার পালটা জনসভা করবেন তিনি।
সোমবার মথুরাপুরের ‘পরিবর্তন যাত্রা’ থেকে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যু নিয়ে তৃণমূলকে বিঁধেছেন অমিত শাহ। এমনকী, বাবরি মসজিদ প্রসঙ্গ টেনে মেরুকরণের সুরও চড়িয়েছেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নজরুল মঞ্চে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিলেন, এবার সেই একই জায়গা থেকেই জবাব দেবে ঘাসফুল শিবির।
তৃণমূল সূত্রে খবর, রাজ্যের ৮৪টি এসসি এবং এসটি সংরক্ষিত বিধানসভা আসনকে পাখির চোখ করেছেন অভিষেক। সোমবার ‘তপশিলি সংলাপ’ কর্মসূচিতে তিনি কড়া ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “তপশিলি জাতির উপর নির্যাতনে উত্তরপ্রদেশ গোল্ড মেডেল পায়, আর রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশ পায় সিলভার এবং ব্রোঞ্জ। এই তথ্য স্বয়ং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের।” অভিষেক তাঁর কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, সংরক্ষিত আসনগুলিতে গিয়ে মানুষকে বোঝাতে হবে যে বিজেপিকে ভোট দেওয়া আর ‘খাল কেটে কুমির আনা’ একই ব্যাপার।
এদিন নজরুল মঞ্চ থেকে তৃণমূলের মেগা টার্গেটও সেট করে দিয়েছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, ২০২৬-এর নির্বাচনে তৃণমূল ২৫০-এর বেশি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় আসবে। কেন্দ্রকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “বিজেপি গত সাত বছরে বাংলা থেকে কর বাবদ ৭ লক্ষ কোটি টাকা তুলে নিয়ে গিয়েছে। অথচ, বাংলার মানুষের হকের টাকা আটকে রেখে তা ভিনরাজ্যে পাঠাচ্ছে।”
রায়দিঘির একই ময়দানে অমিত শাহের বক্তব্যের পয়েন্ট ধরে ধরে অভিষেক কী জবাব দেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন