মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবার প্রবেশ করল এক চূড়ান্ত ভয়াবহ পর্যায়ে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হত্যার বদলা নিতে সরাসরি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর লক্ষ্য করে বিধ্বংসী ‘খাইবার’ মিসাইল ছুড়ল ইরান। সোমবার তেল আভিভে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই হামলার পাশাপাশি হাইফার সামরিক কেন্দ্র এবং পূর্ব জেরুজালেমও ইরানের নিশানায় ছিল।
ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস’ (IRGC) এক বিবৃতিতে সাফ জানিয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ‘জায়নবাদী জমানার ক্রিমিনাল প্রধানমন্ত্রী’র অফিস এবং এয়ারফোর্স কমান্ডারের হেডকোয়ার্টার। খামেনেই হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই টার্গেট করা হয়েছে বলে দাবি তেহরানের।
তবে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IDF) দাবি করেছে, তাদের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া যাবতীয় মিসাইল মাঝপথেই ধ্বংস করেছে। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই রবিবার মধ্যরাতে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তির পথে ফেরার আরজি জানিয়েছেন।
খামেনেইর মৃত্যু আর নেতানিয়াহুর দপ্তরে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য এখন এক বিশাল অগ্নিকুণ্ডের কিনারে দাঁড়িয়ে। এর পরবর্তী ফল কী হতে চলেছে, তা নিয়ে উদ্বেগে গোটা বিশ্ব।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন