আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে? মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়া কি তবে এক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দোরগোড়ায়? মঙ্গলবার ভোরে আমেরিকার হোয়াইট হাউস এবং বিদেশ দফতরের এক জরুরি বার্তায় ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক। বাহরিন, কুয়েত, কাতার থেকে শুরু করে ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি— পশ্চিম এশিয়ার মোট ১৪টি দেশ থেকে নিজেদের নাগরিকদের দ্রুততম উপায়ে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দিল ওয়াশিংটন।
আমেরিকার বিদেশ দফতরের সহ-সচিব মোরা নামদার সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই দেশগুলিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘গুরুতর নিরাপত্তাগত ঝুঁকি’ তৈরি হয়েছে। শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাত এখন আর কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কাতার, কুয়েত ও আমিরশাহির মতো দেশে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করছে ইরান ও তাদের মদতপুষ্ট হিজবুল্লা বাহিনী।
আমেরিকা যাদের তালিকাভুক্ত করেছে সেই দেশগুলি হলো: বাহরিন, মিশর, ইরান, ইরাক, ইজ়রায়েল (ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক ও গাজ়াসহ), জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইয়েমেন। নাগরিকদের বলা হয়েছে, যে কোনো গণমাধ্যম বা ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে দ্রুত এলাকা ছাড়তে এবং প্রয়োজনে প্রতিরক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, এই নির্দেশ কি কেবল নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য, নাকি আমেরিকা নিজেই এবার মধ্যপ্রাচ্যে বড় কোনো সামরিক অভিযানে নামতে চলেছে? সাধারণত কোনো বড়সড় হামলার আগেই নিজেদের নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় ওয়াশিংটন। ফলে এই ‘এক্সিট নোটিস’ বিশ্বজুড়ে নতুন যুদ্ধের অশনি সংকেত দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন