Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভবিষ্যদ্বাণীর আতঙ্ক: ‘বিচ্ছেদের যোগ’ শুনেই চরম পথ বাছলেন ২৭ বছরের প্রযুক্তিবিদ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ভবিষ্যদ্বাণীর আতঙ্ক: ‘বিচ্ছেদের যোগ’ শুনেই চরম পথ বাছলেন ২৭ বছরের প্রযুক্তিবিদ!

বেঙ্গালুরু: প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার, দীর্ঘদিনের প্রেম আর দুই পরিবারের সম্মতি— সবটাই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু একটি কুষ্ঠি বিচারই ওলটপালট করে দিল সবটা। জ্যোতিষীর করা নেতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণীর জেরে মানসিক অবসাদে ভুগে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ২৭ বছর বয়সি এক তরুণী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের বেঙ্গালুরু শহরে।


মৃত তরুণীর নাম বিদ্যাজ্যোতি। তিনি বেঙ্গালুরুতে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ভিন্ন জাতির হলেও দুই পরিবার তাঁদের বিয়েতে মত দিয়েছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে সম্প্রতি এক জ্যোতিষীর কাছে যাওয়ার পর। বিদ্যাজ্যোতির বাবা-মা মেয়ের ভাগ্য বিচার করাতে গেলে সেই জ্যোতিষী দাবি করেন, বিয়ের পর তাঁর দাম্পত্য জীবন সুখের হবে না। শুধু তাই নয়, বিয়ের মাত্র দু’বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স অবধারিত।


জ্যোতিষীর মুখে এই বিচ্ছেদের কথা শুনে ভেঙে পড়েন বিদ্যাজ্যোতি। যদিও ‘গ্রহদোষ’ কাটাতে ওই জ্যোতিষী আট দিনের একটি কঠোর নিয়ম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন পরিবারকে। পুলিশ জানতে পেরেছে, গত শুক্রবার ছিল সেই নিয়মপালনের শেষ দিন। কিন্তু নবম দিনের সকালে দীর্ঘক্ষণ মেয়ের ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতেই দেখা যায়, সিলিং ফ্যান থেকে ওড়না জড়িয়ে ঝুলছে মেয়ের নিথর দেহ।


প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, জ্যোতিষীর দেওয়া মানসিক চাপ এবং ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ার আতঙ্ক থেকেই এই চরম পদক্ষেপ করেছেন উচ্চশিক্ষিত ওই তরুণী। পুলিশ বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে এবং ওই জ্যোতিষীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


এই ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, বিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিজ্ঞানমনস্কতার অভাব এবং অন্ধবিশ্বাসের মরণফাঁদ কীভাবে কেড়ে নিতে পারে উজ্জ্বল কোনো ভবিষ্যৎ।

বিষয় : Astro Suicide

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভবিষ্যদ্বাণীর আতঙ্ক: ‘বিচ্ছেদের যোগ’ শুনেই চরম পথ বাছলেন ২৭ বছরের প্রযুক্তিবিদ!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
বেঙ্গালুরু: প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার, দীর্ঘদিনের প্রেম আর দুই পরিবারের সম্মতি— সবটাই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু একটি কুষ্ঠি বিচারই ওলটপালট করে দিল সবটা। জ্যোতিষীর করা নেতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণীর জেরে মানসিক অবসাদে ভুগে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন ২৭ বছর বয়সি এক তরুণী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের বেঙ্গালুরু শহরে।মৃত তরুণীর নাম বিদ্যাজ্যোতি। তিনি বেঙ্গালুরুতে একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ভিন্ন জাতির হলেও দুই পরিবার তাঁদের বিয়েতে মত দিয়েছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে সম্প্রতি এক জ্যোতিষীর কাছে যাওয়ার পর। বিদ্যাজ্যোতির বাবা-মা মেয়ের ভাগ্য বিচার করাতে গেলে সেই জ্যোতিষী দাবি করেন, বিয়ের পর তাঁর দাম্পত্য জীবন সুখের হবে না। শুধু তাই নয়, বিয়ের মাত্র দু’বছরের মধ্যেই বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স অবধারিত।জ্যোতিষীর মুখে এই বিচ্ছেদের কথা শুনে ভেঙে পড়েন বিদ্যাজ্যোতি। যদিও ‘গ্রহদোষ’ কাটাতে ওই জ্যোতিষী আট দিনের একটি কঠোর নিয়ম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন পরিবারকে। পুলিশ জানতে পেরেছে, গত শুক্রবার ছিল সেই নিয়মপালনের শেষ দিন। কিন্তু নবম দিনের সকালে দীর্ঘক্ষণ মেয়ের ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতেই দেখা যায়, সিলিং ফ্যান থেকে ওড়না জড়িয়ে ঝুলছে মেয়ের নিথর দেহ।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, জ্যোতিষীর দেওয়া মানসিক চাপ এবং ভবিষ্যৎ নষ্ট হওয়ার আতঙ্ক থেকেই এই চরম পদক্ষেপ করেছেন উচ্চশিক্ষিত ওই তরুণী। পুলিশ বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে এবং ওই জ্যোতিষীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, বিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিজ্ঞানমনস্কতার অভাব এবং অন্ধবিশ্বাসের মরণফাঁদ কীভাবে কেড়ে নিতে পারে উজ্জ্বল কোনো ভবিষ্যৎ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার