Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা নেই, হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হলেও প্রস্তুত ভারত, আশ্বাস মোদী সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা নেই, হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হলেও প্রস্তুত ভারত, আশ্বাস মোদী সরকারের

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চতুর্থ দিনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তেহরান। ভারতের আমদানিকৃত খনিজ তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হলেও মঙ্গলবার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করল ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, ভারতে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত।


সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতে এই মুহূর্তে প্রায় ২৫ দিনের পেট্রোল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। হরদীপ সিং পুরী জানান, "বর্তমানে সরকার তেলের মজুতের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।" পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের অধীনে একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত মজুত ও সরবরাহের বিষয়টি মনিটর করছে।


ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে রাশিয়া ও চিন ছাড়া অন্য সব দেশের তেলবাহী জাহাজের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ভারত যেহেতু বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক, তাই দীর্ঘমেয়াদী সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে মোদী সরকার ইতিমধ্যে বিকল্প পথে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে যাতে দেশের বাজারে পেট্রোপণ্যের দামে এর প্রভাব না পড়ে।


ভারত বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তৈল শোধনাগার (রিফাইনার) এবং পঞ্চম বৃহত্তম পেট্রোপণ্য রপ্তানিকারী দেশ। এই পরিকাঠামোই সঙ্কটকালে ভারতের বড় শক্তি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিশেষজ্ঞরা

বিষয় : Oil Fuel

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা নেই, হরমুজ প্রণালী রুদ্ধ হলেও প্রস্তুত ভারত, আশ্বাস মোদী সরকারের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চতুর্থ দিনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তেহরান। ভারতের আমদানিকৃত খনিজ তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হলেও মঙ্গলবার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করল ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, ভারতে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত।সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতে এই মুহূর্তে প্রায় ২৫ দিনের পেট্রোল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। হরদীপ সিং পুরী জানান, "বর্তমানে সরকার তেলের মজুতের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।" পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের অধীনে একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত মজুত ও সরবরাহের বিষয়টি মনিটর করছে।ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে রাশিয়া ও চিন ছাড়া অন্য সব দেশের তেলবাহী জাহাজের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ভারত যেহেতু বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক, তাই দীর্ঘমেয়াদী সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে মোদী সরকার ইতিমধ্যে বিকল্প পথে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে যাতে দেশের বাজারে পেট্রোপণ্যের দামে এর প্রভাব না পড়ে।ভারত বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তৈল শোধনাগার (রিফাইনার) এবং পঞ্চম বৃহত্তম পেট্রোপণ্য রপ্তানিকারী দেশ। এই পরিকাঠামোই সঙ্কটকালে ভারতের বড় শক্তি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিশেষজ্ঞরা

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার