তেহরান: দীর্ঘ প্রায় চার দশকের ক্ষমতার অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে এক সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে গত ১ মার্চ এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাঁর দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিশেষ রাষ্ট্রীয় আয়োজন করা হয়েছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মুসল্লা প্রাঙ্গণে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাধারণ মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সমাগম ঘটেছে। দেশজুড়ে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই মৃত্যু এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খামেনেইর প্রয়াণে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন পরবর্তী নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে নানা জল্পনা চলছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইজরায়েল ও আমেরিকার এই যৌথ অভিযানে তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। তেহরানে নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে এবং বন্ধু দেশগুলির প্রতিনিধিরা শোকবার্তাসহ ইরান সফর করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল ও একইসঙ্গে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিষয় : #Middle East war #Tehran

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন