মস্কো: ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশিতে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ল রাশিয়ার একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) বাহী বিশালাকার ট্যাঙ্কার। লিবিয়া ও মাল্টার মধ্যবর্তী গভীর সমুদ্রে ‘আর্কটিক মেটাগেজ’ (Arctic Metagaz) নামক ওই রুশ জাহাজটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত সেটি সলিলসমাধি নেয়। এই ঘটনার নেপথ্যে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার অভিযোগ তুলেছে ক্রেমলিন।
লিবিয়ার বন্দর ও সামুদ্রিক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বুধবার নিশ্চিত করেছে, বিস্ফোরণের জেরে ট্যাঙ্কারটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে স্বস্তির বিষয় এই যে - জাহাজে থাকা ৩০ জন কর্মীর প্রত্যেককেই সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মাল্টার উদ্ধারকারী দল এবং লিবিয়া সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় লাইফবোট থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্ত ও ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, জাহাজটি রাশিয়ার একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ ইউনিট থেকে গ্যাস নিয়ে ইউরোপের অভিমুখে যাচ্ছিল। লিবিয়া উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরই হঠাৎ সেটির অটোমেটিক আইডেন্টিটি সিস্টেম (AIS) বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে। রাশিয়ার পরিবহণ মন্ত্রকের দাবি, ইউক্রেনীয় নেভাল-ড্রোন বা সামুদ্রিক ড্রোনের সাহায্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও কিয়েভ এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
উল্লেখ্য, ‘আর্কটিক মেটাগেজ’ নামক এই জাহাজটি আমেরিকা ও ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা রাশিয়ার তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া নৌবহরের অংশ ছিল বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। যুদ্ধের আবহে এই ঘটনা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন