Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ইরানের স্কুলে মৃত্যুমিছিল: মার্কিন তদন্তেই বিদ্ধ আমেরিকা? ১৫০ শিশু-কিশোরীরর মৃত্যুতে ঘনীভূত রহস্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬
ইরানের স্কুলে মৃত্যুমিছিল: মার্কিন তদন্তেই বিদ্ধ আমেরিকা? ১৫০ শিশু-কিশোরীরর মৃত্যুতে ঘনীভূত রহস্য!
ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের মিনাব শহরে গত শনিবার মেয়েদের একটি স্কুলে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশিই শিশু ও কিশোরী। এই নৃশংস ঘটনার দায় কার, তা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, ঠিক তখনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনল সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। মার্কিন সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে তারা জানিয়েছে, আমেরিকার নিজস্ব তদন্তেই এই হামলার নেপথ্যে খোদ ওয়াশিংটনের নাম উঠে আসছে!


গত শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথবাহিনী ইরানে আকাশপথে হানা দেয়। সেই অভিযানেই মিনাব শহরের ওই স্কুলটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব (বর্তমানে ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার) পিট হেগসেথ বুধবার নিশ্চিত করেছেন, পেন্টাগন এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তের ইঙ্গিত বলছে যে আমেরিকার ছোড়া বোমাই স্কুলটির উপর পড়েছে।


তবে, এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ ট্রাম্প প্রশাসন। ওই আধিকারিকের দাবি, তদন্ত এগোলে অভিযোগের তির অন্য কারও দিকেও ঘুরে যেতে পারে। ফলে, এটি কি নিছকই যান্ত্রিক ত্রুটি, ভুল নিশানার মাশুল নাকি অন্য কোনও শক্তির কারসাজি — তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে হোয়াইট হাউস।


রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইরানের দূত আলি বাহরেইনি এই মর্মান্তিক মৃত্যুমিছিলের খবর নিশ্চিত করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া মিনাব শহরের ওই স্কুলপ্রাঙ্গণের ছবি দেখে শিউরে উঠছে বিশ্ব। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট শিশুদের জন্য কবর খোঁড়া হয়েছে। প্রতিটি কবরের ওপর গোঁজা রয়েছে ইরানের পতাকা। এই ছবি ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শোক ও ক্ষোভের ছায়া ফেলেছে।


বরাবরের মতো এবারও সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে আমেরিকা। মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো দাবি করেছেন, "আমেরিকার বাহিনী জেনেশুনে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কখনও কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা নিরীহ নাগরিকদের নিশানা করে না।" একই সুর শোনা গিয়েছে প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথের গলাতেও। তাঁর মতে, আমেরিকা কখনও অসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে না। তবে, বিষয়টি যেহেতু স্পর্শকাতর তাই পূর্ণাঙ্গ তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা সম্ভব নয়।


প্রশ্ন উঠছে, যদি আমেরিকার বোমাই পড়ে থাকে, তবে কি তা 'ইন্টেলিজেন্স ফেইলিওর' বা গোয়েন্দা ব্যর্থতা? ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথ অভিযানের সময় লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার দায় কার উপর বর্তাবে? ১৫০ শিশুর মৃত্যুর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার ভাবমূর্তি কি বড়সড় ধাক্কা খেল? এসবের উত্তর দেবে সময়। 

বিষয় : #Iran #IRANCONFLICT #SCHOOLBOMBING humanitariancrisis

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ইরানের স্কুলে মৃত্যুমিছিল: মার্কিন তদন্তেই বিদ্ধ আমেরিকা? ১৫০ শিশু-কিশোরীরর মৃত্যুতে ঘনীভূত রহস্য!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের মিনাব শহরে গত শনিবার মেয়েদের একটি স্কুলে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশিই শিশু ও কিশোরী। এই নৃশংস ঘটনার দায় কার, তা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, ঠিক তখনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনল সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। মার্কিন সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে তারা জানিয়েছে, আমেরিকার নিজস্ব তদন্তেই এই হামলার নেপথ্যে খোদ ওয়াশিংটনের নাম উঠে আসছে!গত শনিবার আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথবাহিনী ইরানে আকাশপথে হানা দেয়। সেই অভিযানেই মিনাব শহরের ওই স্কুলটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব (বর্তমানে ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার) পিট হেগসেথ বুধবার নিশ্চিত করেছেন, পেন্টাগন এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তের ইঙ্গিত বলছে যে আমেরিকার ছোড়া বোমাই স্কুলটির উপর পড়েছে।তবে, এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ ট্রাম্প প্রশাসন। ওই আধিকারিকের দাবি, তদন্ত এগোলে অভিযোগের তির অন্য কারও দিকেও ঘুরে যেতে পারে। ফলে, এটি কি নিছকই যান্ত্রিক ত্রুটি, ভুল নিশানার মাশুল নাকি অন্য কোনও শক্তির কারসাজি — তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে হোয়াইট হাউস।রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইরানের দূত আলি বাহরেইনি এই মর্মান্তিক মৃত্যুমিছিলের খবর নিশ্চিত করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া মিনাব শহরের ওই স্কুলপ্রাঙ্গণের ছবি দেখে শিউরে উঠছে বিশ্ব। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট শিশুদের জন্য কবর খোঁড়া হয়েছে। প্রতিটি কবরের ওপর গোঁজা রয়েছে ইরানের পতাকা। এই ছবি ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শোক ও ক্ষোভের ছায়া ফেলেছে।বরাবরের মতো এবারও সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে আমেরিকা। মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো দাবি করেছেন, "আমেরিকার বাহিনী জেনেশুনে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কখনও কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা নিরীহ নাগরিকদের নিশানা করে না।" একই সুর শোনা গিয়েছে প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথের গলাতেও। তাঁর মতে, আমেরিকা কখনও অসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে না। তবে, বিষয়টি যেহেতু স্পর্শকাতর তাই পূর্ণাঙ্গ তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা সম্ভব নয়।প্রশ্ন উঠছে, যদি আমেরিকার বোমাই পড়ে থাকে, তবে কি তা 'ইন্টেলিজেন্স ফেইলিওর' বা গোয়েন্দা ব্যর্থতা? ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথ অভিযানের সময় লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার দায় কার উপর বর্তাবে? ১৫০ শিশুর মৃত্যুর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার ভাবমূর্তি কি বড়সড় ধাক্কা খেল? এসবের উত্তর দেবে সময়। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার