Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘বিজেপিকে সামাজিক বয়কট করুন’! ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে ডাক অভিষেকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬
‘বিজেপিকে সামাজিক বয়কট করুন’! ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে ডাক অভিষেকের

কলকাতা: শুক্রবার বিকেলে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনামঞ্চে যোগ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাড়ে ৫টা নাগাদ মঞ্চে পৌঁছেই এসআইআর ইস্যুতে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগ তুলে সাফ জানান, “চুরি করে ভোটে জেতার জন্য লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”


এদিন অভিষেক পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন, খসড়া তালিকায় প্রথমে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম কাটা হয়েছিল, যা পরে বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬৪ লক্ষে। এর পাশাপাশি আরও ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ‘বিবেচনাধীন’ রাখা হয়েছে। অভিষেকের প্রশ্ন, “বিজেপি নেতারা যা আগে থেকে বলছিলেন, তার সঙ্গে এই তালিকার মিল হওয়া কি কাকতালীয়? আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকলেও হয়তো তাঁকেও ‘বিবেচনাধীন’ করে রাখা হত!” তিনি আরও বলেন, যদি ৬০ লক্ষ মানুষ বিবেচনাধীন হন, তবে দেশের প্রধানমন্ত্রীও ‘বিবেচনাধীন’।


এদিন মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ কোটি বঙ্গবাসীকে সাক্ষী রেখে বিজেপিকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করার ডাক দেন। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্পের টাকা নিয়ে মোদী সরকারের বিজ্ঞাপনের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন, “কেন্দ্র বলছে ৫২ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে। আমরা বলছি, সব টাকা রাজ্য দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে কেন্দ্র শ্বেতপত্র প্রকাশ করে দেখাক গত ৫ বছরে বাংলায় ক’টা বাড়ির টাকা দিয়েছে।”


এই বক্তব্য চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশ থেকে বলেন, রাজ্য ১ কোটি ২০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে। অভিষেক তখন স্পষ্ট করেন, তিনি কেবল গত এক বছরের হিসেব দিচ্ছেন। তাঁদের যৌথ দাবি, কেন্দ্র আবাসন প্রকল্পে এক পয়সাও দেয়নি।


বিজেপির বাংলা দখলের স্বপ্নকে উপহাস করে অভিষেক বলেন, “তোমাদের কাছে ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স, বিচার বিভাগের একাংশ এবং রাজ্যপাল থাকলেও বাংলা দখল করতে পারছ না। বিজেপির অবস্থা এখন এমন যে, বিয়ের প্রস্তুতি সব সারা— ক্যাটারার, ঠাকুরমশাই থালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু পাত্র আর পাত্রীই নেই! বিয়েটা হবে কী করে?” তাঁর দাবি, বিজেপির কাছে সব এজেন্সি থাকলেও তৃণমূলের কাছে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বাংলার ১০ কোটি মানুষ।


এসআইআর প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি যাঁরা ধরে ফেলেছেন, সেই বিএলএ-২ কর্মীদের প্রশংসা করে অভিষেক বলেন, এই লড়াই হবে ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের মতো। তাঁর মতে, যারা বিজেপির হয়ে বড় বড় কথা বলে, তারাও এখন ‘যুবশ্রী’র ফর্ম পূরণ করছে, কারণ তারা জানে দিদিই শেষ পর্যন্ত দেবেন।

বিষয় : Mamata Banerjee Abhisheik Banerjee

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘বিজেপিকে সামাজিক বয়কট করুন’! ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে ডাক অভিষেকের

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: শুক্রবার বিকেলে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনামঞ্চে যোগ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাড়ে ৫টা নাগাদ মঞ্চে পৌঁছেই এসআইআর ইস্যুতে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগ তুলে সাফ জানান, “চুরি করে ভোটে জেতার জন্য লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”এদিন অভিষেক পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন, খসড়া তালিকায় প্রথমে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম কাটা হয়েছিল, যা পরে বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬৪ লক্ষে। এর পাশাপাশি আরও ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ‘বিবেচনাধীন’ রাখা হয়েছে। অভিষেকের প্রশ্ন, “বিজেপি নেতারা যা আগে থেকে বলছিলেন, তার সঙ্গে এই তালিকার মিল হওয়া কি কাকতালীয়? আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকলেও হয়তো তাঁকেও ‘বিবেচনাধীন’ করে রাখা হত!” তিনি আরও বলেন, যদি ৬০ লক্ষ মানুষ বিবেচনাধীন হন, তবে দেশের প্রধানমন্ত্রীও ‘বিবেচনাধীন’।এদিন মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ কোটি বঙ্গবাসীকে সাক্ষী রেখে বিজেপিকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করার ডাক দেন। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্পের টাকা নিয়ে মোদী সরকারের বিজ্ঞাপনের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি বলেন, “কেন্দ্র বলছে ৫২ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে। আমরা বলছি, সব টাকা রাজ্য দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে কেন্দ্র শ্বেতপত্র প্রকাশ করে দেখাক গত ৫ বছরে বাংলায় ক’টা বাড়ির টাকা দিয়েছে।”এই বক্তব্য চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশ থেকে বলেন, রাজ্য ১ কোটি ২০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে। অভিষেক তখন স্পষ্ট করেন, তিনি কেবল গত এক বছরের হিসেব দিচ্ছেন। তাঁদের যৌথ দাবি, কেন্দ্র আবাসন প্রকল্পে এক পয়সাও দেয়নি।বিজেপির বাংলা দখলের স্বপ্নকে উপহাস করে অভিষেক বলেন, “তোমাদের কাছে ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স, বিচার বিভাগের একাংশ এবং রাজ্যপাল থাকলেও বাংলা দখল করতে পারছ না। বিজেপির অবস্থা এখন এমন যে, বিয়ের প্রস্তুতি সব সারা— ক্যাটারার, ঠাকুরমশাই থালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু পাত্র আর পাত্রীই নেই! বিয়েটা হবে কী করে?” তাঁর দাবি, বিজেপির কাছে সব এজেন্সি থাকলেও তৃণমূলের কাছে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বাংলার ১০ কোটি মানুষ।এসআইআর প্রক্রিয়ার অসঙ্গতি যাঁরা ধরে ফেলেছেন, সেই বিএলএ-২ কর্মীদের প্রশংসা করে অভিষেক বলেন, এই লড়াই হবে ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের মতো। তাঁর মতে, যারা বিজেপির হয়ে বড় বড় কথা বলে, তারাও এখন ‘যুবশ্রী’র ফর্ম পূরণ করছে, কারণ তারা জানে দিদিই শেষ পর্যন্ত দেবেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার