Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সেপটিক ট্যাংকে নেমেই মৃত্যু, কুলতলিতে মর্মান্তিক পরিণতি শ্রমিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬
সেপটিক ট্যাংকে নেমেই মৃত্যু, কুলতলিতে মর্মান্তিক পরিণতি শ্রমিকের

 দক্ষিণ ২৪ পরগণা : সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমেই মর্মান্তিক পরিণতি। বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে প্রাণ হারালেন এক শ্রমিক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি ব্লকের কেল্লা অম্বিকানগর এলাকায় ঘটে গেল এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। মৃত শ্রমিকের নাম জয়দেব হালদার। তিনি জয়নগর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেল্লা অম্বিকানগর বাজারের একটি কমিউনিটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক দীর্ঘদিন ধরেই পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে সেটি প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। শনিবার সকালে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে সেই ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য শ্রমিক জয়দেব হালদারকে ডেকে পাঠানো হয়। প্রতিদিনের মতোই কাজ করতে এসে ট্যাংকের ভিতরে নামেন তিনি। উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেই কাজ শুরু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে , কাজ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হঠাৎ ট্যাংকের ভেতর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ ভেসে আসে। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কিছুক্ষণ পর আর কোনো সাড়া না পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ট্যাংকের ভেতরে থাকা জয়দেবকে বারবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। পরিস্থিতি গুরুতর বুঝে স্থানীয় মানুষ দ্রুত উদ্যোগ নেন।


স্থানীয়দের দাবি, দমকল বা প্রশাসনের সাহায্যের অপেক্ষা না করে নিজেরাই ট্যাংকের দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তারা। এরপর অচেতন অবস্থায় জয়দেবকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানেই চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।


প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাস—বিশেষ করে মিথেন বা অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এই কাজের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না, শ্রমিককে কোনও সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল কি না—সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

বিষয় : AIRPOLUTION DRAINAGE SAFETY TANK WORKERSDEATH

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


সেপটিক ট্যাংকে নেমেই মৃত্যু, কুলতলিতে মর্মান্তিক পরিণতি শ্রমিকের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
 দক্ষিণ ২৪ পরগণা : সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমেই মর্মান্তিক পরিণতি। বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে প্রাণ হারালেন এক শ্রমিক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি ব্লকের কেল্লা অম্বিকানগর এলাকায় ঘটে গেল এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। মৃত শ্রমিকের নাম জয়দেব হালদার। তিনি জয়নগর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেল্লা অম্বিকানগর বাজারের একটি কমিউনিটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক দীর্ঘদিন ধরেই পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে সেটি প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। শনিবার সকালে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে সেই ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য শ্রমিক জয়দেব হালদারকে ডেকে পাঠানো হয়। প্রতিদিনের মতোই কাজ করতে এসে ট্যাংকের ভিতরে নামেন তিনি। উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেই কাজ শুরু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে , কাজ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হঠাৎ ট্যাংকের ভেতর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ ভেসে আসে। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কিছুক্ষণ পর আর কোনো সাড়া না পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ট্যাংকের ভেতরে থাকা জয়দেবকে বারবার ডাকাডাকি করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। পরিস্থিতি গুরুতর বুঝে স্থানীয় মানুষ দ্রুত উদ্যোগ নেন।স্থানীয়দের দাবি, দমকল বা প্রশাসনের সাহায্যের অপেক্ষা না করে নিজেরাই ট্যাংকের দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তারা। এরপর অচেতন অবস্থায় জয়দেবকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানেই চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাস—বিশেষ করে মিথেন বা অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এই কাজের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না, শ্রমিককে কোনও সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল কি না—সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার