Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এক মিনিটের নিস্তব্ধতা: ২৫ মার্চ কেন অন্ধকারে ডুববে বাংলাদেশ? জেনে নিন সরকারের সিদ্ধান্ত

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬
এক মিনিটের নিস্তব্ধতা: ২৫ মার্চ কেন অন্ধকারে ডুববে বাংলাদেশ? জেনে নিন সরকারের সিদ্ধান্ত

আগামী ২৫ মার্চ কালরাতে এক প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ পালন করতে চলেছে বাংলাদেশ। সোমবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওই দিন রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে সমস্ত আলো বন্ধ রাখা হবে। মূলত ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় নিহত শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এছাড়া পরদিন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলেও, আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে বিশেষ সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।


আজ থেকে ৫৫ বছর আগের সেই ভয়ংকর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে এক নৃশংস অভিযান চালিয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। কেবল ঢাকা শহরেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। শিক্ষক, ছাত্র থেকে শুরু করে সাধারণ মেহনতি মানুষ— কাউকেই রেহাই দেয়নি ঘাতক বাহিনী। যদিও সেই রক্তক্ষয়ী রাতের পরই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তির লড়াই। তবে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পার হয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক মহলে ২৫ মার্চের এই গণহত্যা আজও যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি, যার অন্যতম কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত নথিপত্রের অভাবকে দায়ী করা হয়।


এবারের বৈঠকে জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির নিরিখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচে সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাই চাকচিক্য কমিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেই বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর একাধিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, যার প্রতিফলন দেখা যাবে এবারের জাতীয় দিবস পালনের ক্ষেত্রেও। শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ রক্ষার এই দ্বিমুখী উদ্দেশ্য নিয়েই পালিত হতে যাচ্ছে এবারের ২৫ ও ২৬ মার্চের কর্মসূচি।

বিষয় : Bangladesh Independence Day

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


এক মিনিটের নিস্তব্ধতা: ২৫ মার্চ কেন অন্ধকারে ডুববে বাংলাদেশ? জেনে নিন সরকারের সিদ্ধান্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image
আগামী ২৫ মার্চ কালরাতে এক প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ পালন করতে চলেছে বাংলাদেশ। সোমবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওই দিন রাত ১০টা থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে সমস্ত আলো বন্ধ রাখা হবে। মূলত ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় নিহত শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এছাড়া পরদিন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলেও, আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে বিশেষ সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা না করার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।আজ থেকে ৫৫ বছর আগের সেই ভয়ংকর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে এক নৃশংস অভিযান চালিয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। কেবল ঢাকা শহরেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। শিক্ষক, ছাত্র থেকে শুরু করে সাধারণ মেহনতি মানুষ— কাউকেই রেহাই দেয়নি ঘাতক বাহিনী। যদিও সেই রক্তক্ষয়ী রাতের পরই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তির লড়াই। তবে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক পার হয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক মহলে ২৫ মার্চের এই গণহত্যা আজও যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি, যার অন্যতম কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত নথিপত্রের অভাবকে দায়ী করা হয়।এবারের বৈঠকে জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির নিরিখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচে সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাই চাকচিক্য কমিয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বেই বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর একাধিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, যার প্রতিফলন দেখা যাবে এবারের জাতীয় দিবস পালনের ক্ষেত্রেও। শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ রক্ষার এই দ্বিমুখী উদ্দেশ্য নিয়েই পালিত হতে যাচ্ছে এবারের ২৫ ও ২৬ মার্চের কর্মসূচি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার