Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভারতের পরামর্শে নয়, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার: হাসিনা

ভারতের পরামর্শে নয়, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার: হাসিনা
ছবি সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: ভারতের পরামর্শ বা অন্য কোনও দেশের চাপে নয়, নিজের দেশ বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের। সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল সভায় এমনই স্পষ্ট বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান তারেক রহমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, তা আদতে কোনও বিচার নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিশোধের এক প্রহসন বা 'ক্যাঙ্গারু ট্রায়াল'।


২০২৪ সালের ৫ অগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি তিনি মাথা উঁচু করে দ্রুত দেশে ফেরার ঘোষণা করার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের তরফে তাঁকে তৃতীয় কোনও দেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কিনা — এমন জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তারা তাদের নিজস্ব নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেয়... তবে আমি বলতে পারি আমি কখন, কীভাবে দেশে ফিরব সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।”


নিজের রাজনৈতিক জীবনের একাধিক সঙ্কটের কথা স্মরণ করে আওয়ামী লিগ নেত্রী জানান, এর আগেও ১৯৮১ এবং ২০০৭ সালে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা ও মৃত্যুর হুমকি উপেক্ষা করে তিনি দেশে ফিরেছিলেন। তাঁকে এ যাবৎ ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “আমি মৃত্যুকে পরোয়া করি না। মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে আমাকে থামানো যায় না।”


তবে, এবারের প্রত্যাবর্তনকে তাঁর আগের দুটি প্রত্যাবর্তনের (১৯৮১ ও ২০০৭) চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ও অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন হাসিনা। তাঁর কথায়, ১৯৮১ সালে তিনি ফিরেছিলেন পরিবারহারা এক শোকার্ত কন্যা হিসেবে দল পুনর্গঠন করতে। আর ২০০৭ সালে ফিরেছিলেন সেনা সমর্থিত সরকারের জাঁতাকল থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে। কিন্তু, এবার তিনি ফিরবেন একজন অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে, ধূলিসাৎ হতে বসা দেশকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংসের মুখে পড়েছে দাবি করে তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই তিনি সমস্ত অবৈধ রায় ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবেন।

বিষয় : BangladeshPolitics sheikhhasina awamileague HASINARETURNS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ভারতের পরামর্শে নয়, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার: হাসিনা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: ভারতের পরামর্শ বা অন্য কোনও দেশের চাপে নয়, নিজের দেশ বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের। সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল সভায় এমনই স্পষ্ট বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লিগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান তারেক রহমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, তা আদতে কোনও বিচার নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিশোধের এক প্রহসন বা 'ক্যাঙ্গারু ট্রায়াল'।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি তিনি মাথা উঁচু করে দ্রুত দেশে ফেরার ঘোষণা করার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের তরফে তাঁকে তৃতীয় কোনও দেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কিনা — এমন জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তারা তাদের নিজস্ব নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেয়... তবে আমি বলতে পারি আমি কখন, কীভাবে দেশে ফিরব সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।”নিজের রাজনৈতিক জীবনের একাধিক সঙ্কটের কথা স্মরণ করে আওয়ামী লিগ নেত্রী জানান, এর আগেও ১৯৮১ এবং ২০০৭ সালে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা ও মৃত্যুর হুমকি উপেক্ষা করে তিনি দেশে ফিরেছিলেন। তাঁকে এ যাবৎ ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “আমি মৃত্যুকে পরোয়া করি না। মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে আমাকে থামানো যায় না।”তবে, এবারের প্রত্যাবর্তনকে তাঁর আগের দুটি প্রত্যাবর্তনের (১৯৮১ ও ২০০৭) চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ও অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন হাসিনা। তাঁর কথায়, ১৯৮১ সালে তিনি ফিরেছিলেন পরিবারহারা এক শোকার্ত কন্যা হিসেবে দল পুনর্গঠন করতে। আর ২০০৭ সালে ফিরেছিলেন সেনা সমর্থিত সরকারের জাঁতাকল থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে। কিন্তু, এবার তিনি ফিরবেন একজন অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে, ধূলিসাৎ হতে বসা দেশকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংসের মুখে পড়েছে দাবি করে তিনি বলেন, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই তিনি সমস্ত অবৈধ রায় ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার