Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

জুন থেকেই তারেক সরকারের সংকটে পাশে দাঁড়াবে হাসিনার রূপপুর

সংবাদদাতা, ঢাকা
সংবাদদাতা, ঢাকা
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬
জুন থেকেই তারেক সরকারের সংকটে পাশে দাঁড়াবে হাসিনার রূপপুর

ঢাকা: দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের এক কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প "রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র" এখন নতুন আশার আলো হয়ে উঠছে। বহু বিতর্ক, সমালোচনা ও রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্য দিয়ে নির্মিত এই প্রকল্প থেকেই আগামী জুন মাসের মাঝামাঝি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হওয়ার কথা। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, যা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ১,২০০ মেগাওয়াটে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।


নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ ও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। হট রান, কোল্ড রানসহ সব বড় পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন শেষ পর্যায়ের পরিদর্শন শেষে এপ্রিল মাসে এখানে পারমাণবিক জ্বালানি (ফুয়েল) লোড করা হবে। এরপর শুরু হবে পাওয়ার স্টার্টআপ প্রক্রিয়া।

সবকিছু ঠিক থাকলে জুনের মাঝামাঝি থেকেই প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়িয়ে বছরের শেষ নাগাদ পূর্ণ সক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত রবিবার (৮ মার্চ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভবিষ্যতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠবে। উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন এই স্থাপনা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্যয় বেড়েছে, সময়ও পিছিয়েছে

রূপপুর প্রকল্পটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু নানা কারণে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায়। অর্থাৎ অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় যুক্ত হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার বিলম্ব প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদও বাড়াতে হয়েছে।


মূল পরিকল্পনায় প্রথম ইউনিট চালুর সময়সীমা ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবর, আর দ্বিতীয় ইউনিটের সময়সীমা ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবর। পরে নতুন চুক্তিতে প্রথম ইউনিটের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয় ইউনিটের সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানি সংকটে স্বস্তির আশা

গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় অতিরিক্ত প্রায় ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। তখন ঘাটতি পূরণ করতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে হয়, যার উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি।

এই প্রেক্ষাপটে রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বিদ্যুৎ খাতে আর্থিক চাপও কিছুটা হ্রাস পাবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ফুয়েল লোডিংয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জুন মাসে প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। একই সঙ্গে পিজিসিবি ইতোমধ্যে গ্রিড লাইন প্রস্তুত করেছে এবং বিপিডিবির সঙ্গে সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহিদুল হাসান জানান, ফুয়েল লোডিংয়ের আগে প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তা পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত পরিদর্শন শেষ হলে আগামী মাসেই ফুয়েল লোডিং শুরু হতে পারে।

সমালোচনার মুখে জন্ম, এখন সংকটে ভরসা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মূলত শেখ হাসিনা সরকারের একটি ভিন্ন মাত্রার উন্নয়ন প্রকল্প—যা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়, বরং প্রযুক্তি, শিক্ষা, কূটনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।

তবে প্রকল্পটি শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে ছিল না। বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রকল্পের ব্যয়, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে ছিল সমালোচনা ও বিরোধিতা।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। যখন দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট বড় বাস্তবতা হয়ে উঠেছে, তখন সেই সমালোচিত প্রকল্পই এখন সংকট মোকাবিলার সম্ভাব্য ভরসা হয়ে উঠছে।

জ্বালানি সংকটের এই সময়ে অনেক বিশ্লেষকের মতে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়—বরং এটি এমন একটি কৌশলগত বিনিয়োগ, যার সুফল ভবিষ্যৎ সরকারগুলোকেও ভোগ করতে হবে।


অর্থাৎ রাজনৈতিক পালাবদল হলেও, বাস্তবতা হলো—জুন থেকেই দেশের জ্বালানি সংকটে পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের শুরু করা রূপপুর প্রকল্প।

বিষয় : Bangladesh Tareq Rahman Rooppur Nuclear Power Sheik Hasina

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


জুন থেকেই তারেক সরকারের সংকটে পাশে দাঁড়াবে হাসিনার রূপপুর

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image
ঢাকা: দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের এক কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প "রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র" এখন নতুন আশার আলো হয়ে উঠছে। বহু বিতর্ক, সমালোচনা ও রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্য দিয়ে নির্মিত এই প্রকল্প থেকেই আগামী জুন মাসের মাঝামাঝি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হওয়ার কথা। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, যা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ১,২০০ মেগাওয়াটে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ ও গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। হট রান, কোল্ড রানসহ সব বড় পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন শেষ পর্যায়ের পরিদর্শন শেষে এপ্রিল মাসে এখানে পারমাণবিক জ্বালানি (ফুয়েল) লোড করা হবে। এরপর শুরু হবে পাওয়ার স্টার্টআপ প্রক্রিয়া।সবকিছু ঠিক থাকলে জুনের মাঝামাঝি থেকেই প্রথম ইউনিট থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়িয়ে বছরের শেষ নাগাদ পূর্ণ সক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।গত রবিবার (৮ মার্চ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম রূপপুর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভবিষ্যতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠবে। উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন এই স্থাপনা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ব্যয় বেড়েছে, সময়ও পিছিয়েছেরূপপুর প্রকল্পটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু নানা কারণে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায়। অর্থাৎ অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয় যুক্ত হয়েছে।প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার বিলম্ব প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদও বাড়াতে হয়েছে।মূল পরিকল্পনায় প্রথম ইউনিট চালুর সময়সীমা ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবর, আর দ্বিতীয় ইউনিটের সময়সীমা ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবর। পরে নতুন চুক্তিতে প্রথম ইউনিটের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর এবং দ্বিতীয় ইউনিটের সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।জ্বালানি সংকটে স্বস্তির আশাগ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় অতিরিক্ত প্রায় ৩,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। তখন ঘাটতি পূরণ করতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে হয়, যার উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি।এই প্রেক্ষাপটে রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বিদ্যুৎ খাতে আর্থিক চাপও কিছুটা হ্রাস পাবে।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ফুয়েল লোডিংয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জুন মাসে প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। একই সঙ্গে পিজিসিবি ইতোমধ্যে গ্রিড লাইন প্রস্তুত করেছে এবং বিপিডিবির সঙ্গে সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহিদুল হাসান জানান, ফুয়েল লোডিংয়ের আগে প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তা পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত পরিদর্শন শেষ হলে আগামী মাসেই ফুয়েল লোডিং শুরু হতে পারে।সমালোচনার মুখে জন্ম, এখন সংকটে ভরসারূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মূলত শেখ হাসিনা সরকারের একটি ভিন্ন মাত্রার উন্নয়ন প্রকল্প—যা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়, বরং প্রযুক্তি, শিক্ষা, কূটনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।তবে প্রকল্পটি শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে ছিল না। বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রকল্পের ব্যয়, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে ছিল সমালোচনা ও বিরোধিতা।কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। যখন দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট বড় বাস্তবতা হয়ে উঠেছে, তখন সেই সমালোচিত প্রকল্পই এখন সংকট মোকাবিলার সম্ভাব্য ভরসা হয়ে উঠছে।জ্বালানি সংকটের এই সময়ে অনেক বিশ্লেষকের মতে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়—বরং এটি এমন একটি কৌশলগত বিনিয়োগ, যার সুফল ভবিষ্যৎ সরকারগুলোকেও ভোগ করতে হবে।অর্থাৎ রাজনৈতিক পালাবদল হলেও, বাস্তবতা হলো—জুন থেকেই দেশের জ্বালানি সংকটে পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের শুরু করা রূপপুর প্রকল্প।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার