Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটাভুটির দাবি উড়িয়ে ধ্বনিভোটে খারিজ করা হল স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬
ভোটাভুটির দাবি উড়িয়ে ধ্বনিভোটে খারিজ করা হল স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা!

নয়াদিল্লি: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বুধবার প্রত্যাশিতভাবেই খারিজ হয়ে গেল। বিতর্কের শেষে ভোটাভুটির দাবি উঠলেও তা অগ্রাহ্য করে ধ্বনিভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি নাকচ করে দেওয়া হয়। এই বিতর্ক কেন্দ্র করে বুধবার লোকসভা সাক্ষী থাকল শাসক ও বিরোধী শিবিরের তীব্র বাদানুবাদের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিশানায় ছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ তুললেন ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’-এর অভিযোগ।


অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বিরোধীদের আচরণকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উল্লেখ করেন। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ ছিল, বিরোধীদের কথা বলতে গেলেই থামিয়ে দেওয়া হয়। এর পাল্টা জবাবে শাহ দাবি করেন, রাহুল আসলে সংসদে কথা বলতেই চান না। নিজের দাবির স্বপক্ষে পরিসংখ্যান পেশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সপ্তদশ লোকসভায় সাংসদদের গড় উপস্থিতি ৬৬ শতাংশ হলেও রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি ছিল মাত্র ৫১ শতাংশ। ষোড়শ লোকসভায় গড় উপস্থিতি ৮০ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও রাহুল উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৫২ শতাংশ। শাহের মতে, স্পিকারের বিরুদ্ধে এই অনাস্থা আনা মানে আদতে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপরেই প্রশ্ন তোলা।


তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর ভাষণে আক্রমণাত্মক মেজাজে সায়নী অভিযোগ করেন, সংসদে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্যই যদি লড়াই করতে হয়, তবে জনগণের জন্য কাজ করব কীভাবে?”


রাহুল গান্ধী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অখিলেশ যাদবের বক্তৃতায় ক্রমাগত বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে সায়নী সরকারপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সংসদকে পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলবেন না।” রেল বাজেট বন্ধ করা এবং মধ্যরাতে বিল পেশ করার মতো বিষয়গুলি নিয়েও তিনি সরব হনগত ১০ ফেব্রুয়ারি অনাস্থা নোটিস জমা পড়ার পর থেকেই সংসদ পরিচালনা থেকে বিরত ছিলেন ওম বিড়লা।

 বুধবার জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীরা ভোটাভুটির দাবি তুললে উত্তেজনা ছড়ায়। তবে, শেষ পর্যন্ত ধ্বনিভোটেই প্রস্তাবটি খারিজ হয়। শাহের বক্তব্যের কিছু অংশ নিয়ে বিরোধীরা তাঁর ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি তুললেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা নাকচ করে দেন এবং সাফ জানান যে সংসদ কোনও রাজনৈতিক দলের ইচ্ছায় নয়, বরং সংসদীয় বিধি মেনেই চলে।

বিষয় : WestBengalElection ombirla rahulgandhi jadavpur politicalchaos

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোটাভুটির দাবি উড়িয়ে ধ্বনিভোটে খারিজ করা হল স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা!

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বুধবার প্রত্যাশিতভাবেই খারিজ হয়ে গেল। বিতর্কের শেষে ভোটাভুটির দাবি উঠলেও তা অগ্রাহ্য করে ধ্বনিভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি নাকচ করে দেওয়া হয়। এই বিতর্ক কেন্দ্র করে বুধবার লোকসভা সাক্ষী থাকল শাসক ও বিরোধী শিবিরের তীব্র বাদানুবাদের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিশানায় ছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ তুললেন ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’-এর অভিযোগ।অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বিরোধীদের আচরণকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উল্লেখ করেন। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ ছিল, বিরোধীদের কথা বলতে গেলেই থামিয়ে দেওয়া হয়। এর পাল্টা জবাবে শাহ দাবি করেন, রাহুল আসলে সংসদে কথা বলতেই চান না। নিজের দাবির স্বপক্ষে পরিসংখ্যান পেশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সপ্তদশ লোকসভায় সাংসদদের গড় উপস্থিতি ৬৬ শতাংশ হলেও রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি ছিল মাত্র ৫১ শতাংশ। ষোড়শ লোকসভায় গড় উপস্থিতি ৮০ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও রাহুল উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৫২ শতাংশ। শাহের মতে, স্পিকারের বিরুদ্ধে এই অনাস্থা আনা মানে আদতে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপরেই প্রশ্ন তোলা।তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর ভাষণে আক্রমণাত্মক মেজাজে সায়নী অভিযোগ করেন, সংসদে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্যই যদি লড়াই করতে হয়, তবে জনগণের জন্য কাজ করব কীভাবে?”রাহুল গান্ধী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অখিলেশ যাদবের বক্তৃতায় ক্রমাগত বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে সায়নী সরকারপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সংসদকে পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলবেন না।” রেল বাজেট বন্ধ করা এবং মধ্যরাতে বিল পেশ করার মতো বিষয়গুলি নিয়েও তিনি সরব হনগত ১০ ফেব্রুয়ারি অনাস্থা নোটিস জমা পড়ার পর থেকেই সংসদ পরিচালনা থেকে বিরত ছিলেন ওম বিড়লা। বুধবার জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীরা ভোটাভুটির দাবি তুললে উত্তেজনা ছড়ায়। তবে, শেষ পর্যন্ত ধ্বনিভোটেই প্রস্তাবটি খারিজ হয়। শাহের বক্তব্যের কিছু অংশ নিয়ে বিরোধীরা তাঁর ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি তুললেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা নাকচ করে দেন এবং সাফ জানান যে সংসদ কোনও রাজনৈতিক দলের ইচ্ছায় নয়, বরং সংসদীয় বিধি মেনেই চলে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার