Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

যুদ্ধের আঁচ এবার সতীপীঠে! জ্বালানি সংকটে বন্ধ হচ্ছে তমলুক বর্গভীমা মন্দিরের অন্নভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬
যুদ্ধের আঁচ এবার সতীপীঠে! জ্বালানি সংকটে বন্ধ হচ্ছে তমলুক বর্গভীমা মন্দিরের অন্নভোগ
ছবিঃ বর্গভীমা মন্দির, সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

তমলুক: সুদূর মধ্যপ্রাচ্যে ঘনিয়ে আসা যুদ্ধের কালো মেঘ এবার আছড়ে পড়ল বাংলার সতীপীঠে। ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের জেরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া বাণিজ্যিক গ্যাসের চরম সংকটের কারণে এবার ভক্তদের জন্য অন্নভোগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল তমলুকের ঐতিহাসিক বর্গভীমা মন্দির কর্তৃপক্ষ। ৫১ পীঠের অন্যতম এই তীর্থক্ষেত্রে আগামী ২১শে মার্চের পর থেকে পুণ্যার্থীরা আর মায়ের প্রসাদ পাবেন না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।


বর্গভীমা মন্দিরে প্রতিদিন কয়েকশ পুণ্যার্থী মায়ের অন্নভোগ গ্রহণ করেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা আগে থেকেই ভোগের বুকিং করে রাখেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় এবং নতুন বুকিং নিতে সমস্যা হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। ইতিমধ্যেই যাঁদের বুকিং ছিল, তাঁদের ফোন করে ভোগের ব্যবস্থা বাতিল করার কথা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রান্নার গ্যাসের সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগ বিতরণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

যুদ্ধের প্রভাবে বিমান ও জলপথ অবিন্যস্ত হওয়ায় ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেলের জোগানে টান পড়েছে। শুধু বর্গভীমা মন্দিরই নয়, গত ৩রা মার্চ থেকেই বাগবাজারের মায়ের বাড়িতেও প্রসাদ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। মহানগরীর বড় বড় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সাধারণ ক্যাটারিং ব্যবসা— সর্বত্রই এখন হাহাকার। বাণিজ্যিক সিলিন্ডার না মেলায় অনেক জায়গাতেই উনুন জ্বলছে না।

মায়ের ভোগ বন্ধ হওয়ার খবরে হতাশ সাধারণ ভক্তরা। অনেক আশা নিয়ে আসা পুণ্যার্থীরা জানাচ্ছেন, প্রসাদ না পেয়ে তাঁদের নিরাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে। দ্রুত এই জ্বালানি সমস্যার সমাধান করে পুনরায় ভোগ পরিষেবা চালু করার জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ ও ভক্তরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং পর্যাপ্ত গ্যাস মিললে তবেই আবার ভক্তদের জন্য হাঁড়ি চড়বে মন্দিরের রসুইঘরে।

বিষয় : বর্গভীমা মন্দির অন্নভোগ বন্ধ Tamluk Bargabhima Temple Bhog Closed গ্যাস সংকটে মন্দিরে ভোগ বন্ধ

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


যুদ্ধের আঁচ এবার সতীপীঠে! জ্বালানি সংকটে বন্ধ হচ্ছে তমলুক বর্গভীমা মন্দিরের অন্নভোগ

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image
তমলুক: সুদূর মধ্যপ্রাচ্যে ঘনিয়ে আসা যুদ্ধের কালো মেঘ এবার আছড়ে পড়ল বাংলার সতীপীঠে। ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের জেরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া বাণিজ্যিক গ্যাসের চরম সংকটের কারণে এবার ভক্তদের জন্য অন্নভোগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল তমলুকের ঐতিহাসিক বর্গভীমা মন্দির কর্তৃপক্ষ। ৫১ পীঠের অন্যতম এই তীর্থক্ষেত্রে আগামী ২১শে মার্চের পর থেকে পুণ্যার্থীরা আর মায়ের প্রসাদ পাবেন না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।বর্গভীমা মন্দিরে প্রতিদিন কয়েকশ পুণ্যার্থী মায়ের অন্নভোগ গ্রহণ করেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা আগে থেকেই ভোগের বুকিং করে রাখেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়ায় এবং নতুন বুকিং নিতে সমস্যা হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। ইতিমধ্যেই যাঁদের বুকিং ছিল, তাঁদের ফোন করে ভোগের ব্যবস্থা বাতিল করার কথা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রান্নার গ্যাসের সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগ বিতরণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।যুদ্ধের প্রভাবে বিমান ও জলপথ অবিন্যস্ত হওয়ায় ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেলের জোগানে টান পড়েছে। শুধু বর্গভীমা মন্দিরই নয়, গত ৩রা মার্চ থেকেই বাগবাজারের মায়ের বাড়িতেও প্রসাদ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। মহানগরীর বড় বড় হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সাধারণ ক্যাটারিং ব্যবসা— সর্বত্রই এখন হাহাকার। বাণিজ্যিক সিলিন্ডার না মেলায় অনেক জায়গাতেই উনুন জ্বলছে না।মায়ের ভোগ বন্ধ হওয়ার খবরে হতাশ সাধারণ ভক্তরা। অনেক আশা নিয়ে আসা পুণ্যার্থীরা জানাচ্ছেন, প্রসাদ না পেয়ে তাঁদের নিরাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে। দ্রুত এই জ্বালানি সমস্যার সমাধান করে পুনরায় ভোগ পরিষেবা চালু করার জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ ও ভক্তরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং পর্যাপ্ত গ্যাস মিললে তবেই আবার ভক্তদের জন্য হাঁড়ি চড়বে মন্দিরের রসুইঘরে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার