রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তার ঘেরাটোপ নজিরবিহীনভাবে আঁটসাঁট করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের তুলনায় এবার ভোটের দফা কমলেও, নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র ফাঁক রাখতে নারাজ কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে এবার পর্যবেক্ষক বা ‘অবজার্ভার’ নিয়োগের ক্ষেত্রে বড়সড় বদল আনা হচ্ছে।
এক নজরে কমিশনের ‘মাইক্রো-প্ল্যানিং’:
দ্বিগুণ পর্যবেক্ষক: গতবার রাজ্যে ১৬০ জন ‘জেনারেল অবজার্ভার’ থাকলেও, এবার প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, নজরদারির দায়িত্ব এক লাফে অনেকটাই বাড়ছে।
পুলিশি নজরদারিতে জোর: গতবার রাজ্যে ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। এবার সেই সংখ্যা কেবল বাড়ানোই হচ্ছে না, বরং স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোতে এলাকাভিত্তিক একাধিক পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। পুলিশের গতিবিধিও থাকবে কমিশনের কড়া স্ক্যানারে।
রিটার্নিং অফিসার পদে বড় বদল: কমিশন ইতিমধ্যেই রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এবার ডিএমডিসি (DMDC) র্যাঙ্কের বদলে সর্বনিম্ন এসডিও (SDO) র্যাঙ্ক বা তার ওপরের সিনিয়র আধিকারিকদের এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
খরচেও কড়া রাশ: নির্বাচনী ব্যয়ের হিসেব নিকেশ খতিয়ে দেখতে ‘এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভার’-এর সংখ্যাও আগের তুলনায় বাড়ানো হচ্ছে।
কমিশনের এই নতুন বিন্যাস থেকে স্পষ্ট যে, বুথ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক স্তর—সর্বত্রই নিঁখুত নজরদারি চালাতে চাইছে তারা। ভোট ঘোষণার আগেই যেভাবে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে এই ‘মাইক্রো-প্ল্যানিং’ শুরু হয়েছে, তাতে প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা তুঙ্গে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন