নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আগুন এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ইরানের প্রধান তেল ঘাঁটি খার্গ আইল্যান্ডে মার্কিন হামলার পর তেহরানের পাল্টা প্রত্যাঘাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও মিসাইল আছড়ে পড়ছে।
শুক্রবার রাতে ইরানের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে হামলার পর থেকেই শুরু হয়েছে চরম প্রতিশোধ। ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, তারা ইজরায়েল ছাড়াও কুয়েত ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এরই মধ্যে দুবাইতে তীব্র বিস্ফোরণ এবং কুয়েত বিমানবন্দরে পর পর ড্রোন আছড়ে পড়ার খবর সামনে আসছে। ইরাকের মার্কিন ঘাঁটি এবং বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে ভিক্টোরিয়া ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থী গোষ্ঠী 'সরয়া আওলিয়া আল-দাম'।
ইজরায়েল জুড়ে অনবরত বাজছে বিপদের সাইরেন। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নেতানিয়াহু সম্পূর্ণ সুস্থ ও সুরক্ষিত আছেন। অন্যদিকে, বাহরিন সরকারও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
যুদ্ধের মাঝেই ইরানে বড়সড় অভ্যন্তরীণ অভিযানের খবর মিলেছে। ইজরায়েলের হাতে দেশের সেনার অবস্থান ও নিরাপত্তার গোপন তথ্য তুলে দেওয়ার অভিযোগে উত্তর-পশ্চিম ইরান থেকে অন্তত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁরা তলে তলে ইজরায়েলি গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছিলেন।
সব মিলিয়ে একদিকে আমেরিকার হাড়হিম করা আক্রমণ এবং অন্যদিকে ইরানের সর্বাত্মক প্রত্যাঘাত—দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন