Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গভীর রাতে মুখ্যসচিবের অপসারণ, কমিশনের পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ তৃণমূল, রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬
গভীর রাতে মুখ্যসচিবের অপসারণ, কমিশনের পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ তৃণমূল, রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট
ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং নন্দিনী চক্রবর্তী (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতি। গভীর রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই 'মধ্যরাতের সক্রিয়তা'র প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা।


সোমবার রাজ্যসভায় ‘জিরো আওয়ার’-এর ঠিক আগে বিষয়টি উত্থাপন করেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। কমিশনের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন গভীর রাতে এভাবে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের সরানো হল? ডেরেক বলেন, “কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে ঠিকই। কিন্তু, যেভাবে মাঝরাতে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরানো হয়েছে, তা নজিরবিহীন।” নিজের পরিহিত সাদা পোশাকের উদাহরণ টেনে ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি কমিশনের একচ্ছত্র আধিপত্যের সমালোচনা করেন এবং প্রতিবাদস্বরূপ দলীয় সাংসদদের নিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।


রবিবার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার ঠিক পরই কমিশনের কোপ পড়ে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের উপর। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পদ থেকে সরানো হয় যথাক্রমে নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশপ্রসাদ মীনাকে। অন্যদিকে, অপসারিত হন রাজ্যের পুলিশপ্রধান (ডিজিপি) পীযূষ পাণ্ডে। বদল করা হয় কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও। রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এভাবে ভোট ঘোষণার রাতেই মুখ্যসচিবস্তরের আমলাকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা মনে করতে পারছেন না অভিজ্ঞ মহল। 


তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় না রেখে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করছে। আর কমিশন সূত্রের খবর হল, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। তবে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে এমন রদবদল নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

বিষয় : ভোট ঘোষণার পর নন্দিনী চক্রবর্তী অপসারণ MC MPs walkout Rajya Sabha over EC decision West Bengal election administrative reshuffle controversy Election Commission removes Bengal Chief Secretary TMC MPs walkout Rajya Sabha over EC decision

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


গভীর রাতে মুখ্যসচিবের অপসারণ, কমিশনের পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ তৃণমূল, রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতি। গভীর রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই 'মধ্যরাতের সক্রিয়তা'র প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা।সোমবার রাজ্যসভায় ‘জিরো আওয়ার’-এর ঠিক আগে বিষয়টি উত্থাপন করেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। কমিশনের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন গভীর রাতে এভাবে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের সরানো হল? ডেরেক বলেন, “কমিশনের ক্ষমতা রয়েছে ঠিকই। কিন্তু, যেভাবে মাঝরাতে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরানো হয়েছে, তা নজিরবিহীন।” নিজের পরিহিত সাদা পোশাকের উদাহরণ টেনে ব্যঙ্গাত্মক সুরে তিনি কমিশনের একচ্ছত্র আধিপত্যের সমালোচনা করেন এবং প্রতিবাদস্বরূপ দলীয় সাংসদদের নিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।রবিবার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার ঠিক পরই কমিশনের কোপ পড়ে রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের উপর। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পদ থেকে সরানো হয় যথাক্রমে নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশপ্রসাদ মীনাকে। অন্যদিকে, অপসারিত হন রাজ্যের পুলিশপ্রধান (ডিজিপি) পীযূষ পাণ্ডে। বদল করা হয় কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও। রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এভাবে ভোট ঘোষণার রাতেই মুখ্যসচিবস্তরের আমলাকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা মনে করতে পারছেন না অভিজ্ঞ মহল। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় না রেখে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই কাজ করছে। আর কমিশন সূত্রের খবর হল, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। তবে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে এমন রদবদল নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার