জীবনতলা: তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হলো ব্যাপক দলীয় কোন্দল। মঙ্গলবার রাতে তালিকা ঘোষণার পর থেকেই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শওকত মোল্লার জীবনতলার বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন কয়েকশো তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। তাঁদের দাবি একটাই— ক্যানিং পূর্বে ‘বহিরাগত’ প্রার্থী চলবে না, শওকত মোল্লাকেই পুনরায় এই আসনে প্রার্থী করতে হবে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল নেতৃত্ব এক বড়সড় রদবদল ঘটিয়েছে। ক্যানিং পূর্বের দীর্ঘদিনের বিধায়ক শওকত মোল্লাকে ওই আসন থেকে সরিয়ে পাশের কেন্দ্র ভাঙড়ে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভাঙড়ের বাসিন্দা বাহারুল ইসলামকে ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে দল। এই খবর চাউর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা।
বিক্ষোভকারী কর্মীদের দাবি, শওকত মোল্লা এলাকার ‘ঘরের ছেলে’ এবং তাঁর নেতৃত্বেই এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে। ভাঙড় থেকে আসা কোনো প্রার্থীকে তাঁরা মেনে নেবেন না। বুধবার সকালেও শওকত মোল্লার বাড়ির সামনে টায়ার জ্বালিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের সাফ কথা, “দলকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে। আমরা শওকত ভাই ছাড়া আর কাউকে ভোট দেব না।”
প্রার্থী তালিকা নিয়ে এই নজিরবিহীন বিদ্রোহের মুখে শওকত মোল্লা নিজে এখনো কোনো মন্তব্য না করলেও, পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় নেতৃত্ব। নির্বাচনের মুখে খোদ বিধায়কের বাড়ির সামনে এই বিক্ষোভ শাসকদলের অন্দরে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার, কর্মীদের এই ‘বহিরাগত হঠাও’ আবেগের সামনে নতিস্বীকার করে দল কি প্রার্থী বদল করবে, নাকি বাহারুল ইসলামকেই শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে হবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন