Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শহরে ফের ‘সফট টার্গেট’ একাকী বৃদ্ধা: দিদিমা ডেকে গলা কেটে খুনের চেষ্টা, শ্রীঘরে ‘পরিচিত’ ফল বিক্রেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬
শহরে ফের ‘সফট টার্গেট’ একাকী বৃদ্ধা: দিদিমা ডেকে গলা কেটে খুনের চেষ্টা, শ্রীঘরে ‘পরিচিত’ ফল বিক্রেতা
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: তিলোত্তমায় ফের নিশানায় একাকী বৃদ্ধা। দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগর এলাকায় ৭৬ বছর বয়সি এক বৃদ্ধার গলা কেটে খুনের চেষ্টার পর গয়না নিয়ে চম্পট দিল পরিচিত ফল বিক্রেতা। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ঘটনার তিন দিনের মাথায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থেকে অভিযুক্ত সুকুমার বৈদ্যকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে লুঠ হওয়া সোনার গয়নাও।


নেতাজিনগরের পল্লিশ্রী এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা রায়চৌধুরী (৭৬) বাড়িতে একাই থাকেন। তাঁর দুই মেয়েরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে পরিচারিকা আসলেও দিনের বাকি সময়টা তিনি একাই থাকতেন। অভিযুক্ত সুকুমার ওই এলাকায় ফল বিক্রি করত। সেই সূত্রেই বৃদ্ধার সঙ্গে তার পরিচয়। গাছের প্রতি বৃদ্ধার ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে সে মাঝেমধ্যেই চারা গাছ এনে দিত এবং তাঁকে ‘দিদিমা’ বলে সম্বোধন করত। এই সুযোগেই সে বৃদ্ধার বাড়ির অন্দরে যাতায়াত ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে নেয়।


তদন্তে জানা গেছে, গত শুক্রবার পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি ছুরি নিয়ে বৃদ্ধার বাড়িতে ঢোকে সুকুমার। বৃদ্ধা তাকে গাছে জল দিতে বলে রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সেই সুযোগেই পিছন থেকে অতর্কিতে বৃদ্ধার গলায় ছুরি চালায় সে। রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে তাঁর শরীর থেকে সোনার গয়না খুলে নিয়ে চম্পট দেয় ওই আততায়ী।


ঘটনার কিছুক্ষণ পর পরিচারিকা এসে বৃদ্ধাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। দ্রুত তাঁকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।


তদন্তে নেমে নেতাজিনগর থানা ও লালবাজারের গোয়েন্দারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সুকুমারকে শনাক্ত করেন। পুলিশি তাড়া খেয়ে সে মগরাহাট, গোচরণ, নামখানা ও বকখালির সমুদ্রসৈকতে পালিয়ে বেড়ায়। বারবার অবস্থান পরিবর্তন করলেও শেষমেশ বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নতুন ডেরায় গা ঢাকা দেওয়ার আগেই পুলিশ তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করে।

বিষয় : KOLKATAPOLICE KOLKATACRIME NETAJINAGARNEWS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


শহরে ফের ‘সফট টার্গেট’ একাকী বৃদ্ধা: দিদিমা ডেকে গলা কেটে খুনের চেষ্টা, শ্রীঘরে ‘পরিচিত’ ফল বিক্রেতা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: তিলোত্তমায় ফের নিশানায় একাকী বৃদ্ধা। দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগর এলাকায় ৭৬ বছর বয়সি এক বৃদ্ধার গলা কেটে খুনের চেষ্টার পর গয়না নিয়ে চম্পট দিল পরিচিত ফল বিক্রেতা। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ঘটনার তিন দিনের মাথায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থেকে অভিযুক্ত সুকুমার বৈদ্যকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে লুঠ হওয়া সোনার গয়নাও।নেতাজিনগরের পল্লিশ্রী এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা রায়চৌধুরী (৭৬) বাড়িতে একাই থাকেন। তাঁর দুই মেয়েরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে পরিচারিকা আসলেও দিনের বাকি সময়টা তিনি একাই থাকতেন। অভিযুক্ত সুকুমার ওই এলাকায় ফল বিক্রি করত। সেই সূত্রেই বৃদ্ধার সঙ্গে তার পরিচয়। গাছের প্রতি বৃদ্ধার ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে সে মাঝেমধ্যেই চারা গাছ এনে দিত এবং তাঁকে ‘দিদিমা’ বলে সম্বোধন করত। এই সুযোগেই সে বৃদ্ধার বাড়ির অন্দরে যাতায়াত ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে নেয়।তদন্তে জানা গেছে, গত শুক্রবার পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি ছুরি নিয়ে বৃদ্ধার বাড়িতে ঢোকে সুকুমার। বৃদ্ধা তাকে গাছে জল দিতে বলে রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সেই সুযোগেই পিছন থেকে অতর্কিতে বৃদ্ধার গলায় ছুরি চালায় সে। রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে তাঁর শরীর থেকে সোনার গয়না খুলে নিয়ে চম্পট দেয় ওই আততায়ী।ঘটনার কিছুক্ষণ পর পরিচারিকা এসে বৃদ্ধাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। দ্রুত তাঁকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।তদন্তে নেমে নেতাজিনগর থানা ও লালবাজারের গোয়েন্দারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সুকুমারকে শনাক্ত করেন। পুলিশি তাড়া খেয়ে সে মগরাহাট, গোচরণ, নামখানা ও বকখালির সমুদ্রসৈকতে পালিয়ে বেড়ায়। বারবার অবস্থান পরিবর্তন করলেও শেষমেশ বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় নতুন ডেরায় গা ঢাকা দেওয়ার আগেই পুলিশ তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার