Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

তেল-গ্যাসের পর এবার নিশানায় ইন্টারনেট! সমুদ্রতলে যুদ্ধের কোপে কি অচল হবে ডিজিটাল বিশ্ব?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬
তেল-গ্যাসের পর এবার নিশানায় ইন্টারনেট! সমুদ্রতলে যুদ্ধের কোপে কি অচল হবে ডিজিটাল বিশ্ব?
ছবি - সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে পা দিতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কেবল জ্বালানি সংকট নয়, এবার বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবাও বড়সড় ঝুঁকির মুখে। যুদ্ধের আঁচ লেগেছে হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগরের তলদেশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কে। এই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তৈরি হতে পারে এক নজিরবিহীন 'গ্লোবাল কমিউনিকেশন ক্রাইসিস'।




লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের তলদেশ দিয়ে বর্তমানে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান চলে। লোহিত সাগরে অন্তত ১৭টি এবং হরমুজ প্রণালীতে একাধিক সক্রিয় সাব-সি কেবল রয়েছে। ভিডিও কল, ই-মেল, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ডেটা পরিষেবা— সবটাই নির্ভর করে এই নেটওয়ার্কের ওপর। বিশেষ করে AAE-1, FALCON, এবং Tata-TGN Gulf-এর মতো কেবলগুলো ভারতের বৈদেশিক ডেটা সংযোগের মূল স্তম্ভ।




অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং গুগলের মতো সংস্থাগুলি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বিশাল আকারের এআই (AI) ডেটা সেন্টার তৈরি করতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। সমুদ্রতলের এই কেবলগুলোই ওই ডেটা সেন্টারগুলোকে এশিয়া ও আফ্রিকার বিশাল বাজারের সঙ্গে যুক্ত রাখে। কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই বিপুল বিনিয়োগ ও পরিষেবা— দুই-ই মুখ থুবড়ে পড়বে।




বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো মাইন বা বিস্ফোরকের আঘাতে কেবল কেটে গেলে তা সারিয়ে তোলা বর্তমানে প্রায় অসম্ভব। কারণ, দুই জলপথই এখন রণক্ষেত্র। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কেবল সারানোর বিশেষ জাহাজগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে একবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে মাসের পর মাস অচল হয়ে থাকতে পারে ইন্টারনেট পরিষেবা।




জ্বালানি সংকটের পর যদি ইন্টারনেটেও এই ব্ল্যাকআউট শুরু হয়, তবে বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ আর্থিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বিষয় : MIDDLEEASTWAR globalcrisis redseaconflict data connectivity submarinecable

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


তেল-গ্যাসের পর এবার নিশানায় ইন্টারনেট! সমুদ্রতলে যুদ্ধের কোপে কি অচল হবে ডিজিটাল বিশ্ব?

প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬

featured Image
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে পা দিতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কেবল জ্বালানি সংকট নয়, এবার বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবাও বড়সড় ঝুঁকির মুখে। যুদ্ধের আঁচ লেগেছে হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগরের তলদেশে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কে। এই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তৈরি হতে পারে এক নজিরবিহীন 'গ্লোবাল কমিউনিকেশন ক্রাইসিস'।লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরের তলদেশ দিয়ে বর্তমানে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান চলে। লোহিত সাগরে অন্তত ১৭টি এবং হরমুজ প্রণালীতে একাধিক সক্রিয় সাব-সি কেবল রয়েছে। ভিডিও কল, ই-মেল, ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ডেটা পরিষেবা— সবটাই নির্ভর করে এই নেটওয়ার্কের ওপর। বিশেষ করে AAE-1, FALCON, এবং Tata-TGN Gulf-এর মতো কেবলগুলো ভারতের বৈদেশিক ডেটা সংযোগের মূল স্তম্ভ।অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং গুগলের মতো সংস্থাগুলি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বিশাল আকারের এআই (AI) ডেটা সেন্টার তৈরি করতে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। সমুদ্রতলের এই কেবলগুলোই ওই ডেটা সেন্টারগুলোকে এশিয়া ও আফ্রিকার বিশাল বাজারের সঙ্গে যুক্ত রাখে। কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই বিপুল বিনিয়োগ ও পরিষেবা— দুই-ই মুখ থুবড়ে পড়বে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো মাইন বা বিস্ফোরকের আঘাতে কেবল কেটে গেলে তা সারিয়ে তোলা বর্তমানে প্রায় অসম্ভব। কারণ, দুই জলপথই এখন রণক্ষেত্র। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কেবল সারানোর বিশেষ জাহাজগুলো ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে একবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে মাসের পর মাস অচল হয়ে থাকতে পারে ইন্টারনেট পরিষেবা।জ্বালানি সংকটের পর যদি ইন্টারনেটেও এই ব্ল্যাকআউট শুরু হয়, তবে বিশ্বজুড়ে এক ভয়াবহ আর্থিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার