Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

গ্যাসের সঙ্কট মেটাতে নয়া দাওয়াই! ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারে মিলবে ১০ কেজি গ্যাস?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬
গ্যাসের সঙ্কট মেটাতে নয়া দাওয়াই! ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারে মিলবে ১০ কেজি গ্যাস?

নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগানে টান পড়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানিতে বড়সড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের হেঁশেল সচল রাখতে এবং সমবন্টন নিশ্চিত করতে এক বিশেষ পরিকল্পনার কথা ভাবছে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলো (OMCs)।


দ্য ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, রান্নার গ্যাসের ভাঁড়ারে টান পড়ায় ১৪.২ কেজির স্ট্যান্ডার্ড সিলিন্ডারে রিফিলের পরিমাণ কমিয়ে ১০ কেজি করার চিন্তাভাবনা চলছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, সিলিন্ডার প্রতি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দিলে বর্তমান স্টক দিয়ে অনেক বেশি সংখ্যক গ্রাহকের কাছে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। দেশে রান্নার গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশই আমদানি করা হয়, যার ৯০ শতাংশই আসত পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে। বর্তমানে সেই পথ কার্যত অবরুদ্ধ।


সাধারণত একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার একটি পরিবারে ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলে। যদি ১০ কেজি গ্যাস দেওয়া হয়, তবে তা বড়জোর ২৫ থেকে ৩০ দিন চলতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো:


১. দাম কমবে: সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমলে সেই অনুপাতে দামও কমিয়ে দেওয়া হবে।

২. নতুন স্টিকার: এই ধরণের সিলিন্ডারগুলোতে বিশেষ স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হবে যাতে গ্রাহকরা বিভ্রান্ত না হন।


গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দাদেবী’র মতো কয়েকটি এলপিজি ক্যারিয়ার ভারতে পৌঁছেছে। এতে সাময়িকভাবে ঘাটতি মিটলেও নতুন করে বড় কোনো কার্গো আসার খবর নেই। এখনও বহু জাহাজ পারস্য উপসাগরে ক্লিয়ারেন্সের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ভারতের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৯৩,৫০০ টন, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।


বিপণন সংস্থাগুলোর মতে, যদি আগামী কয়েক সপ্তাহে আমদানির জট না কাটে, তবে এই ‘১০ কেজি ফর্মুলা’ কার্যকর করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

বিষয় : Gas Cylinder Crisis in India OMCs

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


গ্যাসের সঙ্কট মেটাতে নয়া দাওয়াই! ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারে মিলবে ১০ কেজি গ্যাস?

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগানে টান পড়েছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানিতে বড়সড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের হেঁশেল সচল রাখতে এবং সমবন্টন নিশ্চিত করতে এক বিশেষ পরিকল্পনার কথা ভাবছে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলো (OMCs)।দ্য ইকোনমিক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, রান্নার গ্যাসের ভাঁড়ারে টান পড়ায় ১৪.২ কেজির স্ট্যান্ডার্ড সিলিন্ডারে রিফিলের পরিমাণ কমিয়ে ১০ কেজি করার চিন্তাভাবনা চলছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, সিলিন্ডার প্রতি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দিলে বর্তমান স্টক দিয়ে অনেক বেশি সংখ্যক গ্রাহকের কাছে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। দেশে রান্নার গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশই আমদানি করা হয়, যার ৯০ শতাংশই আসত পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে। বর্তমানে সেই পথ কার্যত অবরুদ্ধ।সাধারণত একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার একটি পরিবারে ৩৫ থেকে ৪০ দিন চলে। যদি ১০ কেজি গ্যাস দেওয়া হয়, তবে তা বড়জোর ২৫ থেকে ৩০ দিন চলতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো:১. দাম কমবে: সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমলে সেই অনুপাতে দামও কমিয়ে দেওয়া হবে।২. নতুন স্টিকার: এই ধরণের সিলিন্ডারগুলোতে বিশেষ স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হবে যাতে গ্রাহকরা বিভ্রান্ত না হন।গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘শিবালিক’ ও ‘নন্দাদেবী’র মতো কয়েকটি এলপিজি ক্যারিয়ার ভারতে পৌঁছেছে। এতে সাময়িকভাবে ঘাটতি মিটলেও নতুন করে বড় কোনো কার্গো আসার খবর নেই। এখনও বহু জাহাজ পারস্য উপসাগরে ক্লিয়ারেন্সের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ভারতের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৯৩,৫০০ টন, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।বিপণন সংস্থাগুলোর মতে, যদি আগামী কয়েক সপ্তাহে আমদানির জট না কাটে, তবে এই ‘১০ কেজি ফর্মুলা’ কার্যকর করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার