Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শান্তির খোঁজে ইসলামাবাদ: আমেরিকা ও ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠকের পথে বিশ্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬
শান্তির খোঁজে ইসলামাবাদ: আমেরিকা ও ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠকের পথে বিশ্ব!
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক অভাবনীয় মোড় নিতে চলেছে পাকিস্তান। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা ও ইরান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক 'শান্তি-ইঙ্গিত' এবং মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যেই এমন খবর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে। রয়টার্স ও ফিনান্সিয়াল টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, চলতি সপ্তাহেই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠক সম্পন্ন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার চরম সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। কিন্তু সোমবার হঠাৎই সুর নরম করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, আগামী পাঁচ দিন কোনো হামলা হবে না এবং ইরানের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা বেশ ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। যদিও তেহরান সরাসরি আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে, তবে ইউরোপীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে যে পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্কের মাধ্যমে 'পরোক্ষ বার্তা' বিনিময় চলছে।

এই মধ্যস্থতায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। গত রবিবার পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির সরাসরি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার পরদিনই প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ফোনে আলোচনা করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানই ট্রাম্প প্রশাসনকে ইসলামাবাদে বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়। এমনকি মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে স্টিভ উইটকফ ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে খবর চাউর হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জারেড কুশনারের থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে থাকতে পারেন পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।

পশ্চিম এশিয়ায় গত কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতা এবং বাণিজ্যিক জলপথ অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে যে ধাক্কা লেগেছে, এই বৈঠক সফল হলে তার অবসান ঘটতে পারে। তবে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈঠকের বিষয়ে মুখ না খুললেও, তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই প্রক্রিয়া সচল রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ইসলামাবাদের এই সম্ভাব্য বৈঠক শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের দামামা থামিয়ে শান্তির পথ প্রশস্ত করবে কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : usa IRAN DonaldTrump islamabad PeaceTalks

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


শান্তির খোঁজে ইসলামাবাদ: আমেরিকা ও ইরানের ঐতিহাসিক বৈঠকের পথে বিশ্ব!

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬

featured Image
বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক অভাবনীয় মোড় নিতে চলেছে পাকিস্তান। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা ও ইরান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক 'শান্তি-ইঙ্গিত' এবং মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যেই এমন খবর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে। রয়টার্স ও ফিনান্সিয়াল টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, চলতি সপ্তাহেই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠক সম্পন্ন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার চরম সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। কিন্তু সোমবার হঠাৎই সুর নরম করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, আগামী পাঁচ দিন কোনো হামলা হবে না এবং ইরানের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা বেশ ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। যদিও তেহরান সরাসরি আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে, তবে ইউরোপীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে যে পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্কের মাধ্যমে 'পরোক্ষ বার্তা' বিনিময় চলছে।এই মধ্যস্থতায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। গত রবিবার পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির সরাসরি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার পরদিনই প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ফোনে আলোচনা করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানই ট্রাম্প প্রশাসনকে ইসলামাবাদে বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়। এমনকি মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে স্টিভ উইটকফ ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বলে খবর চাউর হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জারেড কুশনারের থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে থাকতে পারেন পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।পশ্চিম এশিয়ায় গত কয়েক সপ্তাহের অস্থিরতা এবং বাণিজ্যিক জলপথ অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে যে ধাক্কা লেগেছে, এই বৈঠক সফল হলে তার অবসান ঘটতে পারে। তবে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈঠকের বিষয়ে মুখ না খুললেও, তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই প্রক্রিয়া সচল রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ইসলামাবাদের এই সম্ভাব্য বৈঠক শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের দামামা থামিয়ে শান্তির পথ প্রশস্ত করবে কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার